প্রধান মেনু

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

শূন্য হওয়া পাঁচটি সংসদীয় আসনের উপ নির্বাচন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য নৌকার প্রার্থী ঠিক করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের সংসদীয় বোর্ড ও সংগঠনের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় মনোনয়নের কথা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

উপ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৩ আসনে বাংলাদেশ কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি, বাগেরহাট-৪ আসনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আমিরুল আলম মিলন, ঢাকা-১০ আসনে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বগুড়া-১ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে টানা তিনবার এমপি প্রয়াত আবদুল মান্নানের স্ত্রী সারিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহদারা মান্নান, যশোর-৬ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার মনোনয়ন পেয়েছেন।

এছাড়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নির্বাচনে নৌকার হয়ে লড়তে মনোনয়ন পেয়েছেন ডা. রেজাউল করিম চৌধুরী।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ঢাকা-১০ আসনে মোট ১০ জন, গাইবান্ধা-৩ আসনে ২৫ জন, বাগেরহাটের-৪ আসনে ১১, বগুড়া-১ আসনে ১৯ এবং যশোর-৬ আসনে ১৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এছাড়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মোট ১৭ জন দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন।

ঢাকা-১০ আসনে প্রার্থী হওয়া দৌড়ে ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বর্তমান মেয়র ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, মেজর (অব.) ইয়াদ আলী ফকির, অ্যাডভোকেট বশির, আদম তমিজী হক, ড. আবদুল ওয়াদুদ, মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ, কুদ্দুসুর রহমান, এএসএম কামরুল আহসান ও কাজী মোর্শেদ হোসেন কামাল।

গাইবান্ধা ৩ আসনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন বাংলাদেশ কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি, শাহ ইয়াকুব উল আজাদ, মাহমুদুল হক, একেএম মোকছুদ চৌধুরী, মফিজুল হক সরকার, ফজলুল করিম, ওমর ফারুখ, আজিজার রহমান খান বিএসসি, গোপাল চন্দ্র বর্মণ, মোছা. রেহেনা বেগম, তামান্না শারমিন, তোফাজ্জল হোসেন, এমএস রহমান, আবু বক্কার প্রধান, শাহারিয়া খান, জরিদুল হক, আমিনুল ইসলাম, মো. সাদ্দাম হোসেন, মাজেদার রহমান দুলু, নুরুল ইসলাম প্রধান, দিলারা খন্দকার, শাহাদত রাজা, মতিয়ার রহমান ও মো. সাঈদ রেজা।

যশোর-৬ আসনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন জীবন্ত কিংবদন্তি নায়িকা শাবানার স্বামী ওয়াহিদ সাদেক, প্রয়াত সংসদ ইসমত আরা সাদেকের মেয়ে নওরীন সাদেক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার, শেখ আবদুর রফিক, আবদুল মান্নান, এইচএম আমির হোসেন, তাপস কুমার দাস, হোসাইন মোহাম্মদ ইসলাম, শ্যামল সরকার, শেখ আবদুল ওহাব, মো. কামরুজ্জামান, তানভীর আহম্মেদ বিপু ও জয়দেব নন্দী।

বাগেরহাট-৪ আসনের প্রার্থী হওয়ার দৌড়েছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আমিরুল আলম মিলন, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি আবদুর রহিম খান, আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক মিজানুর রহমান জনি, প্রবীর রনজন হালদার, নকিব নাজিব, ইসমত আরা শিরিন চৌধুরী, মোশারফ হোসেন, এসএম রাজু, জামিল হোসাইন, বদিউজ্জামান সোহাগ ও এসএম মনিরুল ইসলাম।

বগুড়া-১ আসনে নৌকার হয়ে লড়তে চেয়েছিলেন আওয়ামী লীগ থেকে টানা তিনবার এমপি প্রয়াত আবদুল মান্নানের স্ত্রী সারিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহদারা মান্নান, মোজাহিদুল ইসলাম বিল্পব, জাহাঙ্গীর আলম, জিয়াউর রহমান শেখ, সিদ্দিকুর রহমান, ডা. মকবুলুর রহমান, রেজাউল করিম মন্টু, আবদুর রাজ্জাক, এসএম খাবীরুজ্জামান, জাকির হোসেন, ছালের উদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ, রেজাউল করিম মন্টু, অ্যাডভোকেট মোনতাজুর রহমান মন্টু, শাহজাহান আলী, আলমগীর শাহী, মো. আছালত জামান, আনছার আলী ও অ্যাডভোকেট ফজলুল হক সবুজ।

এছাড়া চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে (চসিক) নৌকার প্রার্থী হতে আবেদন করেছিলেন বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, সাবেক প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ও নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নুরুল ইসলাম বিএসসি, সাবেক মেয়র মঞ্জুরুল আলম, রেজাউল করিম চৌধুরী, খোরশেদ আলম, মুজিবর রহমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আবদুস সালাম, মেজর (অব.) ইমদাদুল ইসলাম, মো. ইনসান আলী, মোহাম্মাদ ইউনুস, মো. হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, সেলিনা খান, রেখা আলম, একেএম বেলায়েত হোসেন, মো. মাহাবুবুল আলম, এরশাদুল আমিন, মনোয়ার হোসেন ও দীপক কুমার পালিত।