প্রধান মেনু

ঈশ্বরদীতে পুলিশের উপর হামলার আসামী গ্রেফতার

ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদতাঃ
ঈশ্বরদীর নতুন হাট মোড়ে দোকান বন্ধ করা নিয়ে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় এজাহারভূক্ত আসামী শান্তকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার বিকেলে নতুন হাট মোড় হতে পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। শান্ত (২) উপজেলার মানিকনগর গ্রামের আতিয়ার মাষ্টারের ছেলে। ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) গ্রেফতারের ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ২৭শে এপ্রিল ঈশ্বরদীর সাহাপুর ইউনিয়নের নতুন হাট মোড়ে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দোকান বন্ধ রাখার জন্য ব্যবসায়ীদের অনুরোধ জানালে এক পুলিশ কনস্টেবলকে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে ওই এলাকায় দায়িত্বরত এএসআই খায়রুল ইসলাম বাদী হয়ে ২ জনকে নামীয় এবং ৩০-৩৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে। মামলার নামীয় আসামীদের মধ্যে রয়েছে জুতার দোকানদার ও নতুন সাহাপুর গ্রামের জনৈক আব্দুল হান্নানের পুত্র জুয়েল (২৭) এবং কসমেটিকস্ এর দোকানী ও নতুন মানিকনগর মধ্যপাড়া গ্রামের আতিয়ার রহমানের পুত্র শান্ত (২৮)। এই মামলার বাদী ঘটনার সময় ওই এলাকায় দায়িত্বরত এএসআই খায়রুল ইসলাম। এই মামলার জের ধরেই পুলিশ শান্তকে গ্রেফতার করে।
ঘটনা প্রবাহঃ করেনা পরিস্থিতিতে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বেশ কয়েকদিন ধরে নতুন হাট মোড়ের কসমেটিক, কাপড় ও জুতা স্যান্ডেলের কয়েকজন দোকানদার তাদের দোকান খুলে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে ওই বাজারে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছিল না। পুলিশ কয়েকদিন ধরে ব্যবসায়ীদের মৌখিকভাবে দোকান বন্ধ রাখতে বলছিল। তবুও কয়েকজন দোকান খুলে বসে। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হাসেম আলী মার্কেটের জুতা-স্যান্ডেলের দোকানদার রানা দোকান খুললে ঈশ্বরদী থানার এএসআই খায়রুল ইসলাম, কন্সটেবল ফুয়াদ ও রুহুল আমিন দোকান বন্ধ করতে বলেন। এই নিয়ে পুলিশের সাথে ওই মার্কেটের দোকানদারদের বাকবিতন্ডা হয়। একপযায়ে পুলিশের সাথে দোকানদারের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এসময় পুলিশ কন্সটেবল রুহুল আমিনকে মারধর করা হলে তিনি আঘাতপ্রাপ্ত হয়। পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল হতে এক কসমেটিক্সের দোকানদার শান্তকে ধরে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করলে দোকানদাররা হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয়। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবিরসহ পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে ঘটনার পরপরই ব্যবসায়ীরা সকল দোকানপাট বন্ধ করে পালিয়ে যায়।
তবে, নতুনহাট মোড়ের ব্যবসায়ীরা দাবি করেন পুলিশ দোকানদারদের মারধরের পরই তারা ক্ষিপ্ত হয়ে এ ঘটনা ঘটায়।