প্রধান মেনু

ঈশ্বরদীতে রেল সম্পদ ও তেল চুরির সরঞ্জামাদিসহ তেল চোর অটক

স্টাফ রিপোর্টার,ঈশ্বরদী ॥ রেলওয়ে পাকশী বিভাগের আব্দুলপুর রেল স্টেশন সংলগ্ন হোম সিগেন্যালের নিকট থেকে বৃহস্পতিবার রাতে গোসাইপুরের তেলচোর রুবেলকে আটক করেছে ঈশ^রদীর নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। আটকের সময় রুবেলের নিকট থেকে ৩০ লিটার তেল ভর্তি একটি প্লাস্টিকের জার্কিং,১ টি লোহার ফিস প্লেট,২ টি জয়েন প্লেট,১টি ব্রেক ব্লক ও ৫ টি প্লাস্টিক মোড়ানো বস্তা উদ্ধার করেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনীর ঈশ^রদীস্থ অস্ত্র শাখার এসআই ওবায়দুর রহমান ও ঈশ^রদী গোয়েন্দা শাখার এএসআই সিদ্দকুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করেন। অভিযানের সময় টের পেয়ে তেল চোরের গড ফাদার গোসাইপুরের জমসেদের ছেলে হাফিজুর রহমান, রেল কলোনীর আব্দুল হামিদের ছেলে শাহিন,একই কলোনীর আফসারের ছেলে ইমরান ও গোসাইপুরের আফতাবের ছেলে লাট্টু পালিয়ে যায়। নিরাপত্তাবাহিনীর ঈশ^রদী জি শাখার দায়িত্বশীল সূত্র ও আটককৃত রুবেলের দেওয়া স্বীকারোক্তি সূত্রে এসব তথ্য জানাগেছে। সূত্রমতে,গত ২৬ মার্চ/২০২০ রাতে লোকমানপুর স্টেশনে মালবাহী ট্রেন থামিয়ে তেল চোরদের সাথে নিয়ে তেল চুরির প্রস্তুতি কালে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সাথে ইঞ্জিনের এলএম ও এএলএমের ধ্বস্তাধ্বস্তিসহ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর ঐদিন মধ্যরাতে রেলের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঈশ^রদী লোকোসেডে উপস্থিত হয়ে ইঞ্জিন পরীক্ষাসহ প্রাথমিক তদন্ত করে এলএম নাজমুল হক,এএলএম খাইরুল ইসলাম ও ট্রেন পরিচালক রোকনুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় । পরে পাকশীর এটিওকে আহবায়ক করে চার সদস্যস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি বরখাস্তকৃতদের দোষী সাব্যস্ত করে তদন্ত রিপোর্ট দাখিল এবং ট্রেনে নিরাপত্তাবাহিনীর স্কট বৃদ্ধির সুপারিশ করেছেন। এ ঘটনা জানার পর পশ্চিমাঞ্চলের জিএম মিহিরকান্তি গুহ তেল চুরিসহ রেলের সম্পদ চুরির বিষয়ে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেন। এরপর থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা বেশী সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারা চোর আটকের জন্য তৎপর থাকেন। এক পর্যায়ে তারা বৃহস্পতিবার দুপুরে আব্দুলপুর রেল স্টেশন সংলগ্ন হোম সিগেন্যালের নিকট অভিযান চালায়। সুত্রমতে,আটককৃত রুবেল তেল চুরির সাথে জড়িতদের কঠিন শাস্তি দাবি করেছে।