প্রধান মেনু

উম্মুক্ত প্রক্রিয়ায় ভাতা ভোগীদের তালিকা না করলে অনুমোদন দেয়া হবে না – জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ

রফিকুল ইসলাম সুইট : পাবনা জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ বলেছেন- বর্তমান সরকারের টেকসই উন্নয়নের সমাজের গরীব, পঙ্গু, অস্বচছল, অসহায়, গৃহহীন, বিধাব, বয়স্কসহ বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষকে সহায়তা করে যাচ্ছে। যারা প্রকৃত পক্ষে ভাতা পাওয়ার যোগ্য তাদেরকেই সঠিক তালিকা করে দেয়া হবে। অনেক সময় এই তালিকা নিয়ে বির্তক সৃষ্টি হয়। বির্তক এড়াতে উম্মুক্তভাবে তালিকা করে দেয়া হবে যেখানে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকবে। উম্মুক্ত প্রক্রিয়ায় ভাতা ভোগীদের তালিকা না করলে অনুমোদন দেয়া হবে না।
রবিবার সকালে পাবনা জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে মাসিক জেলা উন্নয়ন সভায় তিনি এসব কথা বলেন তিনি।
ভাঙ্গুড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. বাকী বিল্লাহ সভায় বলেন- বিভিন্ন ভাতা দেয়ার সময় স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যাক্তি ভাতা ভোগীদের কাছ থেকে ভাতা দেয়ার নামে অর্থ নিয়ে থাকে। যার ফলে সরকারের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ সময় আটঘরিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তানভীর ইসলাম বাকী বিল্লাহর বক্তব্যকে সমর্থন করেন। তাদের বক্তব্যের পরিপেক্ষিতে জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ উম্মুক্তভাবে ভাতা ভোগীদের তালিকা করার সিদ্ধান্ত নেন।
বিআরবিডি’র চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান বলেন- বিলগাজনায় ব্যাপক ভাবে কচুরী পানা হয়েছে। এসব কচুরী পানা সরানো বেশ ব্যয় বহুল যার ফলে কৃষক ব্যাপকভাবে ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে। কাবিখা, কাবিটাসহ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজের জন্য বরাদ্ধ আসে সেসব টাকা দিয়ে বিলগাজনার কচুরী পানা সরালে কৃষক ব্যাপকভাবে লাভবান হবে। কচুরী পানা উন্নতমানের সার হবে যা ব্যবহার করলে ব্যাপক ফসল উৎপাদন হবে। হাবিবুর রহমান হাবিব এর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বিলগাজনার কচুরী পানা সরাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নিতে বলেন জেলা প্রশাসক।
পাবনা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য সচেতনতা, পরিছন্নতা, বর্জ ব্যবস্থাপনা, মেয়েদের বয়সন্ধি সম্পর্কিত বিষয়ে ইনোভেশন প্রদর্শন করা হয়। এই ইনোভেশনের আলোকে জনসেচতনা মুলক কার্যক্রম করার পরার্মশ দেয়া হয় যা সমাজের মানুষ উপকৃত হবে।
পাবনা মৎস বিভাগের পক্ষ থেকে একটি ইনোভেশন উপাস্থাপন করা হয়। আগামী ৯ থেকে ৩০ অক্টোবর জাটকা ইলিশ আহরণ নিষেধ। পদ্মায় কেউ ইলিশ আহরণ করলে জেল জরিমানা করা হবে।

সভায় অংশ গ্রহন করেন-পাবনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আতিয়ুর রহমান, ডা. আবু জাফর, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নিবার্হী প্রকৌশলী শমীরণ রায়, বিটিভি প্রতিনিধি আব্দুল মতীন খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শাহেদ আহমেদ , অধ্যক্ষ ইঞ্জি. মো. জমিদার রহমান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জয়নাল আবেদিন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোশারোফ হোসেন, চাটমোহর উপজেলা আব্দুল হামিদ মাষ্টার, আটঘরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান তানভীর ইসলাম, জেলা কালচারাল অফিসার মারুফা মঞ্জুরী খান, বাসস প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম সুইট প্রমূখ।