প্রধান মেনু

চরঘোষপুরের ঝন্টুর আচরঘোষপুরের ঝন্টুর আত্হমত্যা- কে দাঁড়াবে অসহায়দের পাশেহত্যা- কে দাঁড়াবে অসহায়দের পাশে

রফিকুল ইসলাম ফরিদ ঃ পাবনা শহরের পশ্চিমপ্রান্তের একটি সবুজ শ্যামল গ্রাম। নাম তার চর ঘোষপুর। চরঘোষপুর ধোরাপাড়ার জামাই ঝন্টু প্রামানিক (৫১) গত ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুর ২টায় তার থাকার ঘরের ডাবের সাথে গলায় ফাঁস নিয়ে আতœহত্যা করেছে। পাবনা সদর থানা পুলিশ শনিবারই রাত ৭টার দিকে লাশ মর্গে নিয়ে যায়। গত ৬ সেপ্টেম্বর রোববার দুপুরে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঝন্টুর মরদেহ তার বাড়িতে লাশ কাটাঘর থেকে ফেরেনি। ঝন্টু প্রামানিক রাজমিস্ত্রীর কাজ করে বিসিকে (স্কয়ারে) এক ঠিকাদারের মাধ্যমে। তার আতœহত্যার কারণ মানসিক অবসাদ। স্ত্রী সীমা বেগম (৪৬) কে দুপুরে অন্যত্র টাকা আনতে পাঠিয়ে দিয়ে নিজ ঘরের সয়ন কক্ষে ফাঁসি নেয় ঝন্টু।
এমতাবস্থায় কে দাঁড়াবে অসহায় এই পরিবারটির পাশে ? ঝন্টু প্রামানিক মৃত্যুর সময় রেখে গেছে স্ত্রী সীমা, ২ মেয়ে স্বর্ণা (২৩), স্বর্ণা বিবাহিত। মেয়ে শিমলা (১৩)। শিমলা চর ঘোষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনীর ছাত্রী। ঝন্টুর একমাত্র ছেলে সৌরভ (১১) অভাবের তাড়নায় লেখাপড়া বাদ দিয়ে গেঞ্জী তৈরীর কাজ করে। এখন পুরো সংসারের ঘানি টানতে হবে ১১ বছরের সৌরভের। কোন ধনবান ব্যক্তি বা সমাজপতি, রাজনীতিবিদ কিংবা প্রশাসনের কেউ এসে দাঁড়াবেন কি এই অসহায় পরিবারটির পাশে ? লঞ্চঘাট এলাকার মৃত হোসেন প্রামানিকের মেজো ছেলে ঝন্টু নিরক্ষর। ঝন্টু প্রামানিক তার শশুর মৃত শামসুদ্দিন মন্ডলের দেয়া ৬ কাঠা জমির উপর বাড়ি ঘর করে বসবাস করছিল বলে তার বিধাব স্ত্রী সীমা বেগম কান্নাজড়িত কন্ঠে এই প্রতিবেদকে জানান