প্রধান মেনু

চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলে এক সপ্তাহে কাঁচা মরিচের দাম তিনদফা বৃদ্ধি,

পাবনার চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলের হাট-বাজারে কাঁচা মরিচের দাম লাফি লাফিয়ে বাড়ছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম তিনদফা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে নিম্ন এবং মধ্য আয়ের মানুষের পক্ষে কাঁচা মরিচ কেনা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

হাট বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বুধবার চাটমোহর পৌর বাজারসহ উপজেলার অধিকাংশ হাট-বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা দরে। এর তিনদিন পর অর্থাৎ গত শুক্রবার প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হয় ১৫০টাকা দরে। আর গত সোমবার চাটমোহর পৌর বাজারসহ উপজেলার অধিকাংশ হাট-বাজার এবং চলনবিল অঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলায় প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হয় ২০০টাকা দরে। অর্থাৎ গত বুধবার থেকে সোবার পর্যন্ত মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে উপজেলার সকল হাট-বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম তিনদফা বৃদ্ধি পায়। এতে দৈনন্দিন প্রয়োজন থাকা সত্তে¡ও নিম্ন ও মধ্যো আয়ের মানুষের পক্ষে কাঁচা মরিচ কেনা সম্ভব হচ্ছেনা। এদের মধ্যে দুই/চার জন অতি প্রয়োজনে কাঁচা মরিচ কিনলেও ১/২শ গ্রাম করে কিনছেন।

অনেকে আবার কাঁচা মরিচের বিকল্প হিসাবে আদা ও শুকনা মরিচ কিনছেন। পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডে ছোটশালিখা মহল্লার দিনমজুর মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, গত সোমবার কাঁচা মরিচ কিনতে পৌরসভার নতুন বাজারে গিয়েছিলাম। কিন্তু প্রতি কেজি মরিচের দাম ২০০টাকা হওয়ায় কিনতে পারি নাই। পরে কাঁচা মরিচের পরিবর্তে শুকনা মরিচ কিনেছি। একই ধরনের কথা বলেছেন, উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের ভ্যান চালক মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন কাঁচা মরিচ কেনা খুবই দরকার ছিল। কিন্তু স্থানীয় চরপাড়া বাজারে গিয়ে দেখি প্রতি কেজি মরিচের দাম ২০০টাকা। সেকারণে কাঁচা মরিচ না কিনে বিকল্প হিসাবে শুকনো মরিচ ও আদা কিনেছি।

এ ব্যাপারে চাটমোহর পৌরসভার থানা বাজারের সবজি ব্যবসায়ীর আড়ৎদার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, অতিবৃষ্টি ও বর্ষায় মরিচের ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আমদানি কমে গেছে। সেকারণে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আমদানি বাড়লেই দাম কমে যাবে। তবে ক্রেতারা অভিযোগ করে বলছেন হাট-বাজারে কাঁচা মরিচের যথেষ্ট আমদানি থাকা সত্তে¡ও ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফা লাভের আশায় দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে।