প্রধান মেনু

চাটমোহর এনায়েতুল্লাহ মাদরাসার ভবন বেহাল, ঝুঁকিতে শিক্ষকমন্ডলী

পাবনার চাটমোহর পৌর সদরের একমাত্র দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চাটমোহর এনায়েতুল্লাহ ইসলামীয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। শিক্ষক কমন রুমের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। এ অবস্থায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে আছেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। ১৯৭৫ সালে পৌর সদরের একমাত্র ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৫ সালে ফ্যাসালিটিজ ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমে এ ভবনটি নির্মাণ করা হয়।

সরেজমিনে মাদরাসায় গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষক কমনরুমের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। ছাদের বিভিন্ন জায়গা থেকে পলেস্তারা খসে পড়ছে। কয়েকজন শিক্ষক জানান, কিছুদিন আগে ভবনের ছাদ থেকে পলেস্তারা ও সিমেন্ট কসে পড়ে একজন শিক্ষক আহত হন। শিক্ষকতা করতে এসে নিজেদেরি নিরাপত্তা নেই। কমনরুমে বসলেই সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয়।
শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুমে গিয়ে আরও দেখা যায়, সেমি পাকা ঘরের উপরে বাঁশের সেলিং ভেঙ্গে নবম শ্রেণির কয়েজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এমন ঝুঁকি পুর্ণ শ্রেণি কক্ষে পাঠদান করতে যেমন শিক্ষকগণ ভয় পান তেমনি শিক্ষার্থীরাও ভয়ে থাকেন।

শিক্ষক প্রতিনিধি গণিত প্রভাষক মোঃ ইসরাইল আলম বলেন, এখানে দুটি ভবনের একটি ভবনে শিক্ষক কমনরুমের ছাদ, দেয়াল, কার্নিশে বিপদজনক ফাটল দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির সময় এসব ফাটল চুইয়ে পানি এসে কক্ষ সয়লাব হয়ে যায়। এ কারণে এই ভবনে অবস্থান করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি আরও জানান, পলেস্তারা খসে পড়ার আশঙ্কায় তাঁরা সব সময় আতঙ্কে থাকেন এবং কক্ষে বসলেও ভিমের সোজাসজি নিচে বসে থাকেন। এখানে অধ্যক্ষ ও শিক্ষক-কর্মচারীসহ ২৭ জনের স্টাফ এর মধ্যে অধ্যক্ষের রুম আলাদা এবং শিক্ষিকাসহ ছাত্রী কমনরুম একটি। ছাত্রদের কোন কমনরুম নেই এমনকি ছাত্রদের বাথরুমের অবস্থাও নাজুক।

মাদরাসার অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মাওঃ মোঃ আবু ইসহক আলী বলেন, আমি ভারপ্রাপ্ত সবে মাত্র দেড় বছর হলো এই চেয়ারে বসেছি। ভবন ও কক্ষগুলো সংষ্কারের জন্য উপর মহলে জানানোার ব্যবস্থা করছি। ছোটখাটো কাজের জন্য ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠান থেকেই ব্যবস্থা নিয়েছি।