প্রধান মেনু

ঘোষণা করা হলেও জনসমাগম কমেনি

জনসমাগম এড়াতে ঈশ্বরদীর শপিংমল, পশুরহাট, হোটেল-রেঁস্তোরা সকল বাণিজ্য কেন্দ্র বন্ধ

ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতাঃ
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় মঙ্গলবার হতে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ঈশ্বরদীর সকল মার্কেট, শপিং মল, বাণিজ্য কেন্দ্র, আবাসিক হোটেল, সাপ্তাহিক হাট, অরনখোলা ও আওতাপাড়ার পশু হাটসহ সকল হাট-বাজার কন্ধ করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যার পর ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিহাব রায়হান মাইকিং করে এই গণবিজ্ঞপ্তি প্রচার করেছেন। সেখানে বলা হয়, জনসমাগম এড়ানোর লক্ষ্যে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উল্লেখিত সকল প্রকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে খাদ্যদ্রব্য, ঔষধসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকানপাট ও কাঁচা বাজার খোলা থাকবে। এসময় জনসাধারণকে খাদ্যদ্রব্য, জরুরী ঔষধ ক্রয় এবং সৎকারের মতো জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনভাবেই বাড়ির বাইরে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে।
জনসমাগম কমানোর লক্ষ্যে জরুরী প্রয়েজনে বাড়ির বাইরে বের হতে নিষেধ করা হলেও সোমবার রাতে এবং মঙ্গলবার সকালে ঈশ্বরদী বাজারের দোকানগুলোতে জনসমাগম আরো বেড়েছে। সোমবার রাতে এই ঘোষণার পরপরই ঈশ্বরদী ও আশেপাশের বাজারগুলোতে জনতার ঢল নেমেছে। ঔষধসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকানপাট ও কাঁচা বাজার খোলা থাকার বিষযটি ঘোষণা করা হলেও সাধারণ মানুষ ঈদের চাঁদ রাতের মতো দোকানপাটে ভীড় জমিয়ে পণ্যসামগ্রী ক্রয় করতে দেখা যায়। মঙ্গলবার সকালে ঈশ্বরদীর বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের কাপড় ও গার্মেন্টেসের দোকান, ইলেকট্রনিক্স, হার্ডওয়্যারসহ অন্যান্য পণ্য সামগ্রীর দোকান বন্ধ ছিল। তবে নিত্য প্রয়োজনীয় মুদিখানা দোকানের সুযোগ গ্রহন করে ষ্টেশনারী ও হোটল-রেঁস্তোরাগুলো সবই খোলা ছিল।
রবিবার রাতে ঈশ্বরদী পুলিশ বিভাগ উপজেলার সকল চায়ের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে।