প্রধান মেনু

ঢাকার দুই সিটির ৪৫টি এলাকা ‘রেড জোন’ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের একাধিক ওয়ার্ড এবং তিন জেলার বিভিন্ন এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। করোনা প্রতিরোধে গঠিত কেন্দ্রীয় টেকনিক্যাল কমিটির শনিবারের সভায় এসব এলাকাকে চিহ্নিত করা হয়। সভার একটি কার্যবিবরণী থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

সভার সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, জেলার জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন এবং পুলিশ সুপার মিলে এসব জোনের মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে লাল এলাকা চিহ্নিত করবেন। ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটির মোট ৪৫টি এলাকাকে ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটির ১৭ এবং দক্ষিণ সিটির ২৮টি এলাকা আছে।

ঢাকা উত্তর সিটি:

উত্তর সিটি করপোরেশনের যে ১৭ এলাকাকে রেড জোন হিসেবে ধরা হয়েছে সেগুলো হলো: গুলশান, বাড্ডা, ক্যান্টনমেন্ট, মহাখালী, তেজগাঁও, রামপুরা, আফতাবনগর, মোহাম্মদপুর, কল্যাণপুর, গুলশান, মগবাজার, এয়ারপোর্ট, বনশ্রী, রাজাবাজার, উত্তরা, মিরপুর।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি:

দক্ষিণ সিটির ২৮টি এলাকার মধ্যে আছে: যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মুগদা, গেন্ডারিয়া, ধানমন্ডি, জিগাতলা, লালবাগ, আজিমপুর, বাসাবো, শান্তিনগর, পল্টন, কলাবাগান, রমনা, সূত্রাপুর, মালিবাগ, কোতোয়ালি, টিকাটুলি, মিটফোর্ড, শাহজাহানপুর, মতিঝিল, ওয়ারী, খিলগাঁও, পরিবাগ, কদমতলী, সিদ্ধেশ্বরী, লক্ষ্মীবাজার, এলিফ্যান্ট রোড, সেগুনবাগিচা।

এর আগে রোববার দুপুরে ঢাকাসহ দেশের অনেক স্থানে রেড জোন ঘোষণা করে লকডাউন করা হবে বলে জানিয়েছেন জন প্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

তিনি জানান, সোমবার থেকে এসব বাস্তবায়ন হবে। তিনি আরো জানান, সারাদেশকে মূলত তিনটি প্রধান জোনে ভাগ করা হবে। শুধু লকডাউন এলাকায় সাধারণ ছুটি থাকবে।

করোনা পরিস্থিতিতে টানা দুই মাসেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর সীমিত পরিসরে অফিস খুলে গত ৩১ মে। যেখানে অসুস্থ, বয়স্কজন ও প্রসূতি কর্মীদের জন্য বাড়িতে অবস্থানের সুযোগসহ রাখা হয় বেশি কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস করার বিধি-নিষেধ। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ঘোষিত ওই প্রজ্ঞাপনের সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয় আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত। তবে নতুন প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত পূর্বের নিয়মই বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। শনিবার রাতে সময় সংবাদকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।