প্রধান মেনু

দম্পতি খুললেন যৌন শিক্ষা স্কুল, ঘণ্টায় ফি একশ পাউন্ড

ইংল্যান্ডের উচ্চ শিক্ষিত এক দম্পতি ‘প্রকৃত যৌন শিক্ষা স্কুল’ চালু করেছেন। তাদের স্কুলে যৌন শিক্ষা নিতে যাওয়া ব্যক্তিদের এজন্য প্রতি ঘণ্টায় গুনতে হচ্ছে একশ পাউন্ড, বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ১০ হাজার দুইশ ৮৬।

জানা গেছে, ওই দম্পতি ইংল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। উচ্চতর ডিগ্রি থাকা সত্ত্বেও জনগণকে যৌন সচেতন করে তোলার জন্য স্কুল চালু করেছেন তারা।

প্রথমে যৌগ ব্যায়াম করাতে গিয়ে তারা লক্ষ করেছেন, মানুষজন যৌন বিষয়ক ফ্যান্টাসির মধ্যে রয়েছে। যৌনতার ব্যাপারে অনেকেরই প্রকৃত ধারণা নেই। সে কারণে তারা সিদ্ধান্ত নেন, মানুষজনকে প্রকৃত যৌন শিক্ষা দেয়ার কাজ করবেন। এজন্য তারা স্কুলও খুলে বসেন।

তাদের কাছে যাওয়া ব্যক্তিদের যৌন বিষয়ক সঠিক তথ্য দেন তারা। এজন্য অবশ্য কেউ কেউ তাদের যৌনকর্মীও বলেন। তবে নিজেরা ওই স্কুল চালু করার কারণ হিসেবে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেন ওই দম্পতি।

জসুয়া স্লেইথ ও নাতালিয়া ভির্দে দম্পতি নিজেদের কাজে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। ওই দম্পতি জানিয়েছেন, অনেক পুরুষ নিজেদের যৌন ক্ষমতার ব্যাপারে একেবারেই আত্মবিশ্বাস হারিয়ে বসে থাকেন। তাদেরকে সচেতন করেন ওই দম্পতি।

এক্ষেত্রে তন্ত্র সাধনা করতে শেখান তারা। এতে করে ওই ব্যক্তির ছটফটানি অনেকটাই কমে যায় বলেও দাবি করেন তারা।

যদিও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর জসুয়া যৌনকর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। তবে সেই কাজ আর করতে মন চাইনি তার। তার পরই সিদ্ধান্ত নেন, যেসব ব্যক্তি যৌন ফ্যান্টাসিতে ভোগেন, তাদেরকে প্রকৃত যৌন শিক্ষা দেবেন। যারা পর্নোগ্রাফির যৌনতার সঙ্গে প্রকৃত যৌনতাকে গুলিয়ে ফেলেন, তাদেরকে প্রকৃত যৌন শিক্ষা দিয়ে ফ্যান্টাসির জগৎ থেকে বের করে নিয়ে আসবেন।

তিনি আরো বলেন, ধৈর্য্য আরো বাড়ানোর জন্য যখন আমি তাদের বলি যে, আমার সঙ্গে যৌগ ব্যায়াম করো। তাদের অনেকেই সেটা করে। এ সময় অনেকেই এটাকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে পবিত্র হিসেবে বিবেচনা করে। বিষয়টি আমার ভালো লাগে।

তিনি আরো বলেন, অনেকেই আসে, যাদের মধ্যে যৌনতার ব্যাপারে ফ্যান্টাসি কাজ করে, তাদেরকে প্রকৃত যৌনতা বোঝানোর জন্য কখনো তত্ত্ব আবার কখনো বিছানায় নিয়ে যেতে হয়। এতে আমার খারাপ লাগে না। কারণ, যৌনতার ব্যাপারে প্রকৃত শিক্ষা দেওয়াটাই আমাদের মুখ্য উদ্দেশ্য।