প্রধান মেনু

নাটোরের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রিয় মুখ সংস্কৃতি কর্মী নার্গিস আকতার বানু

নিজ গুণে হয়ে ওঠেছেন নাটোরের সংস্কৃতি অঙ্গনের প্রিয় মুখ। নাটোরের সংস্কৃতি অঙ্গনে একটি সুপরিচিত মুখ সঙ্গীত শিল্পী নার্গিস আকতার বানু । বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারের তালিকাভুক্ত এ গ্রেডের শিল্পী। চ্যানেল সেরা কন্ঠের সেরা দশজনের একজন। স্কুল জীবন থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় জেলা,বিভাগ এবং জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় তিনি নাটোরের হয়ে অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেছেন। এ শহরের সঙ্গীত শিল্পীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একজন সিনিয়র শিল্পী হিসেবেই যার অবাধ বিচরণ। তিনি এ পর্যন্ত গেয়ে চলেছেন অসংখ্য স্টেজ প্রোগ্রামে। বিশেষ করে নাটোরের একুশে ফ্রেব্রয়ারী, মহান স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, ২১ ফেব্রুয়ারিসহ বিভিন্ন সংগঠনের উৎসব কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে। শহরের মীরপাড়া এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মরহুম খাদেমুল ইসলামের কন্যা নার্গিসের শৈশব থেকে সঙ্গীত জগতে পদার্পণ ঘটে। আর সে থেকে আজ পর্যন্ত সঙ্গীতকে বুকে লালন করে সঙ্গীত ভুবনে তার সদর্পে পথ চলা অব্যাহত রেখেছেন। সঙ্গীতকে ভালোবাসেন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করেন বলেই যে কোনো সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশের লক্ষ্যে যারা বা যে সংগঠন তাদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান গাইতে আমন্ত্রণ জানান তাদের ডাকেই সাড়া দিয়ে থাকেন। এ ক্ষেত্রে তিনি কাউকেই কখনো নিরাশ করেননি। তবে কোনো সংগঠন বলতে শিল্পকলা একাডেমি এবং শিশু একাডেমীর সংগীত শিক্ষক যার সাথে সুদীর্ঘকাল ধরে একাত্ম হয়ে আছেন। নাটোরের সাংস্কৃতির সাথেও বহুকাল থেকে ওতোপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন। সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের বিশাল বিচরণের মাঝে তার জন্ম। অর্থাৎ নার্গিসের পুরো পরিবারের সদস্যরা সংস্কৃতিক জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র।৷ ছোট বোন জাহানারা পারুল ও ভাই তবলাবাদক শরিফুল এরা এ অঙ্গনের দীপ্যমান শিখা। নার্গিস গেয়েও যাচ্ছেন অসংখ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে। বিশেষ করে সেই ছাত্রজীবন থেকে চাদের হাট,মনোবীনা সংঘ এখনো অস্তিত্বে মিশে আছে। নার্গিস আকতার বানু মিষ্টিভাষী ও মিশুক মনের হওয়াতে অনেকের কাছে তিনি একজন প্রিয় সঙ্গীত শিল্পী। ভদ্র, মার্জিত, রুচিশীল ব্যক্তিত্ববান শিল্পী হিসেবে নাটোর শহরে নার্গিস কারো প্রিয় বড় আপু, কারো প্রিয় দিদি, কারো ম্যাডাম,কারো মা হিসেবে একজন আপনজন ও নিকটাত্মীয়। যার কণ্ঠে শোভা পায় নজরুল সংগীত সহ হারানো দিনের বহু জনপ্রিয় গান। নাটোরের মা মাটির সন্তাহ হিসেবে নার্গিস বানু সবসময় নিজেকে গর্বিত মনে করেন। সংগীতের পাশাপাশি নানা সামাজিক ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমাজসেবায় নিজকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। এক পুত্র সন্তানের জননী|