প্রধান মেনু

নিখোঁজের ২২ দিন পর ঈশ্বরদীর রিক্সাচালক শফিকুলের কংকাল উদ্ধার

ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতাঃ
নিখোঁজের ২২ দিন পর ঈশ্বরদীর রিক্সাচালক শফিকুলের কংকাল উদ্ধার করেছে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ। রবিবার বিকেলের দিকে ঈশ্বরদীর অরোণকোলা এলাকায় সুগারক্রপ গবেষণা কেন্দ্রের আখ ক্ষেতে মানুষের কংকাল দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী থানায় খবর দেয়। ঈশ্বরদী থানা পুলিশ কংকাল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। গত ২৭শে জুলাই ঈশ্বরদী থানায় নিখোঁজের জিডি দেখে শফিকুলের বাড়ির লোকজনদের খবর দেয়া হয়। পরিধেয় লুঙ্গি ও জামা দেখে বাড়ির লোকজন কংকালটি শফিকুলের বলে সনাক্ত করে।
এব্যাপারে ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেখ নাসীর উদ্দিন কংকাল উদ্ধারের বিষযটি নিশ্চিত করে বলেন, কংকাল দেখে চেহারা সনাক্ত করা সম্ভব নয়। থানায় সাঁড়া ইউনিয়নের আরামবাড়ীয়া গ্রামের নাজিম মন্ডলের ছেলে রিক্সা চালক শফিকুল মন্ডল (৪৫) এর নিখোঁজের জিডি দেখে খবর দেয়া হয়। তারা পরিধেয় কাপড় দেখে কংকালটি শফিকুলের বলে সনাক্ত করেছে।
প্রসঙ্গত: গত ২৬ জুলাই রাতে বাড়ি থেকে রিক্সা নিয়ে বের হয়ে আর বাড়িতে ফিরে আসেনি ঈশ্বরদী উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের আরামবাড়ীয়া গ্রামের নাজিম মন্ডলের ছেলে রিক্সা চালক শফিকুল মন্ডল (৪৫)। এঘটনায় শফিকুলের বাবা নাজিম মন্ডল ঈশ্বরদী থানায় ২৭ শে জুলাই একটি ডায়েরি করেন।
রিক্সা চালক শফিকুল মন্ডলের বাবা নাজিম মন্ডল জানান, পুরাতন ব্যাটারী বিক্রি নিয়ে একই এলাকার বাবলু ওরফে মগা বাবলুর ছেলে সাব্বিরের সাথে তাঁর ছেলে শফিকুলের ঝামেলা চলছিলো। ব্যাটারীর বদলে সাব্বির আমার ছেলের কাছে ইট দিয়ে ৪ হাজার টাকা কৌশলে হাতিয়ে নেয়। সেই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সাব্বির আমার ছেলেকে হত্যার হুমকি দিয়েছিল। ঘটনার এক সপ্তাহ পর থেকেই শফিকুলকে নিখোঁজ ছিল। একাধিক সুত্রের ধারণা, পূর্ব বিরোধের জের ধরেই শফিকুল মন্ডলকে হত্যার পর গুম করা হয়েছিল।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবীর জানান, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে এবং জড়িতরা পুলিশের নজরে রয়েছে । অতি অল্প সময়ের মধ্যে আসামী গ্রেফতার হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।