প্রধান মেনু

পাবনার ইছামতি নদীর দু’পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু

সোহেল রানা : পাবনার ঐতিয্যবাহী ইছামতি নদীর দু‘পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কাজ শুরু হয়েছে। লঞ্চঘাটে ইতিমধ্যে ইছামতি নদীর মুখে যে অবৈধ ভাটা ও দোতালা ভবন ছিলো সেগুলো জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ড যৌথ অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করছে। জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে এডিসি জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম উপস্থিত থেকে এ অভিযান পরিচালনা করেন। তারা বলেন, সারা দেশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলছে। পাবনাতে ইছামতি নদী উদ্ধারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে তার ব্যতিক্রম ঘটবে না। আগামীতেও ইছামতি নদীর দুপারে যে অবৈধ স্থাপনা আছে তার উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাবনা বাসির দীর্ঘদিনের দাবি ইছামতি নদী উদ্ধার করে অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে দিতে হবে। জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের যৌথ এ অভিযানের সময় উপস্থিত উচ্ছুক জনগণ অবৈধ স্থাপনার উচ্ছেদ অভিযানের প্রতি সাদুবাত জানান এবং তাদেরকে ধন্যবাদ জানান। এদিকে ইছামতি নদীর মুখে পলি উত্তোলনের জন্য যে প্রায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল সে টাকার অর্ধেক হরিলুট হয়েছে বলে মিডিয়া জগতে তোলপার চরছে। এ বিষয় নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন একটু আকটু উনিশ বিশ হয় কাজে। তবে পুকুর চুরির মতো কোন ঘটনা ঘটেনি। ইছামতির দুপাড়ের মানুষের মধ্যে বর্তমানে আতঙ্ক বিরাজ করছে। যার যার মতো নিজ নিজ অবৈধ স্থাপনা নিজেরাই ভেঙ্গে নিয়ে যেতে শুরু করেছে। উপস্থিত স্থানীয়রা দাবী করেন সুইচগেট থেকে শুরু করে পাবনা শহরের পুরাতন ব্রিজ থেকে সিংগা ব্রিজ পর্যন্ত ইছামতির দু’পাড়ে প্রায় অবস্থিত প্রায় কয়েকশত বহুতল ভবন গড়ে উঠেছে। এগুলো ভেঙে ফেলা হবে কিনা সেটা নিয়ে মানুষের মধ্যে একটু সংশয় কাজ করছে। বেশীরভাগ অবৈধ জায়গায় প্রভাবশালীরা প্রভাব খাটিয়ে এ সকল ভবন দিনের পর দিন গড়ে তুলেছে। সাধারণ মানুষের দাবী সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষ যথাযথভাবে এ সকল অবৈধ ভবন গুড়েয়ে দেয়ার অনুরোধ জানান।