প্রধান মেনু

নাসিম নামের ১ জন হত্যাকারী গ্রেফতার। এলাকা থমথমে অবস্থা।

পাবনার পল্লীতে বসত বাড়ী থেকে জোর পূর্বক ধরে নিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে ১ জনকে কুপিয়ে হত্যা।

পাবনার পল্লীতে বাড়ী থেকে জোরপূর্বক ধরে এনে নিজ বসত বাড়ীর সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে ইয়াছিন নামক এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত ইয়াছিন পাবনা সদর উপজেলার মালিগাছা ইউনিয়নের ভজেন্দ্রপুর গ্রামের মৃত রাজাই প্রামানিকের ছেলে। এ ঘটনায় নিহত ইয়াছিন এর ছেলে জুয়েল রানা বাদী হয়ে ২১ মার্চ রাতে পাবনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। মামলা নং-৬৩। ঘটনার পর গত শুক্রবার রাতে পালানোর সময় রাজশাহী থেকে আটককৃত হত্যাকারী নাসিমকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এর আগে পুলিশ বাদী হয়ে রাজশাহী রাজপাড়া থানায় হত্যাকান্ডের ঘটনায় একটি ইউডি মামলা রেকর্ড ভূক্ত করা হয়। যাহার নং-১৯৮, তারিখ-২১/০৩/২০২০ইং।
সূত্র মতে জানা গেছে, শনিবার সন্ধায় রাজশাহী থেকে ময়না তদন্ত শেষে ইয়াছিন প্রামানিকের মৃত দেহ নিজ গ্রাম ভজেন্দ্রপুর গ্রামে এসে পৌছিলে নিহতের স্বজনদের সাথে উপস্থিত শত শত মানুষও অশ্রু সংবরণ করতে পারেননি। শনিবার রাত ৯ টায় ভজেন্দ্রপুর গোরস্থান প্রাঙ্গণে নামাজে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়। নামাজে জানাজা ও দাফনের সময় শত শত মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এলাকার অনেক মানুষ অভিযোগ করে জানান, পাবনা সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে এক সময়ে শান্ত এলাকা বলে পরিচিত মাত্র ১টি পরিবারের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের কারণে অশান্ত হয়ে উঠেছে। এর জন্য দায়ী ইমান মন্ডল ও তার সন্তান নাসিম, সোহান সহ তার ক্যাডার বাহিনী। এ মামলার অন্যতম আসামী সোহান পাবনা জেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য। ইমান মন্ডলের সন্তান নাসিম ও সোহান সহ সকলেই এলাকায় সন্ত্রাসী বলে পরিচিত। জেলা যুবলীগের নেতা সোহানের বিরুদ্ধে এলাকায় রয়েছে নারী ধর্ষণের বহু অভিযোগ। তাদের ভয়ে এলাকার মানুষ মুখ খুলতে সাহস পায় না। নাসিম ও সোহানের বিরুদ্ধে পাবনা থানায় হত্যা, অস্ত্র মামলা সহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে। রবিবার বেলা ৩ টায় এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে এখনও সেখানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পাবনা থানার অফিসার ইনচার্জ নাসিম আহমেদ জানান হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতারের জোর পুলিশি তৎপরতা অব্যহত রয়েছে।