প্রধান মেনু

পাবনার ফরিদপুরে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে বসে হাট

আজ মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করেই জমজমাট হাট বসে। হাট উপলক্ষে এদিন উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে কয়েক হাজার লোকের সমাগম ঘটে ফরিদপুর বাজারে। তবে হাট বন্ধে ফরিদপুর উপজেলা প্রশাসনকে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। এ নিয়ে উপজেলার সচেতন মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

জানা যায়, ফরিদপুর উপজেলার সর্ববৃহৎ হাট বসে ফরিদপুর পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে। সপ্তাহে শুক্র ও মঙ্গলবার এই হাট বসে। হাট উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে হাজার হাজার মানুষ এসে ফরিদপুর বাজারে জড়ো হয়। করোনা ভাইরাসের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পাবনা জেলা প্রশাসন গত ২৪ মার্চ জেলার সর্বত্র হাট-বাজার বন্ধ রাখার নির্দেশনা জারি করেন। এরপর জেলার অধিকাংশ হাট-বাজার বন্ধ হয়ে যায়। তবে নির্দেশ অমান্য করে ফরিদপুর বাজারের হাট চলতেই থাকে। এনিয়ে উপজেলার সচেতন নাগরিকরা হাট বন্ধ করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন। কিন্তু এরপরেও গত দুই সপ্তাহে নির্ধারিত দিনগুলোতে হাট বসে। আজ মঙ্গলবার হাট বন্ধ করতে গতকাল থেকে উপজেলার সাধারণ মানুষ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্টও দেন। এতকিছুর পরেও আজ মঙ্গলবার হাট বসে। হাট উপলক্ষে এদিন কয়েক হাজার মানুষের ভিড় জমায় ফরিদপুর বাজারে।সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে গাদাগাদি করে দিনভর চলে হাটে বেচাকেনা। কি অবস্থায় উপজেলার সচেতন মহল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

ফরিদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম মুরাদ বলেন, করোনা ভাইরাসের এই প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও সরকারি নির্দেশ অমান্য করে হাজার হাজার মানুষের জমায়েত বড় ধরনের বিপদ সংকেত। হাট চালু রাখায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এটা জনস্বাস্থ্যের জন্য প্রচন্ড হুমকি। হাট বন্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এরপরেও হাট চলছেই। জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে আগামীতে হাট বন্ধ রাখা উচিত।
এ বিষয়ে কথা বলতে হাটের ইজারাদার আক্তার হোসেনের মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল করলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহম্মদ আলী বলেন, হাটে কেনাবেচা তেমন হয়নি। কিন্তু লোকসমাগম কিছুটা বেশি হয়ে গেছে। তাছাড়া এগারোটার মধ্যেই লোকজন হাট থেকে চলে গেছে। তবে এরপর যেন আর এমনটা না ঘটে সেজন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।