প্রধান মেনু

পাবনায় শহীদ মিনার ভেঙ্গে এমপি পিতার ম্যুরাল নির্মাণ প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা দিলেন কলেজ কতৃপক্ষ

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার সাতবাড়িয়া কলেজের শহীদ মিনার ভেঙ্গে পিতার ম্যুরাল বানালেন এম.পি শিরোনামে বিভিন্ন প্রত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা দিলেন কলেজ কতৃপক্ষ।
মঙ্গলবার দুপুরে পাবনা প্রেস ক্লাবের ভিআইপি অডিটোরিয়ামে প্রেস কনফারেন্সে এই ব্যাখ্যা দেন কলেজ কতৃপক্ষ। সাতবাড়ীয়া কলেজের অধ্যক্ষ মোহম্মদ আব্দুল বাছেত লিখিত বক্তব্যে বলেন-কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থী এবং অত্র এলাকার বিভিন্ন শ্রেনীর পেশার মানুষ ৩৫ বছর আগের তৈরী শহীদ মিনারে ২১ ফ্রেরুয়ারী ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের সময় জায়গা সংকুলান না হওয়ায় নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। এ ছাড়াও কলেজের প্রচীর নির্মান, বেজমেন্ট মাটির নিচে হওয়ায় এবং পানি জমাট বাধায় গত ১৭/০৬/২০১৮ তারিখে অত্র কলেজের গভর্ণিং বডির সভায় পুরোনো শহীদ মিনারটি ভেঙ্গে কলেজ মাঠের দক্ষিন পাশে তিন তলা ভবনের পশ্চিমে নতুন করে শহীদ মিনার নির্মানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ইতিমধ্যে নতুন করে শহীদ মিনারটির নির্মান কাজের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন শহীদ মিনার নির্মানের বিষয়ে তৎকালীন পাবনা জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন, সুজানগর উপজেলা চেয়ারম্যান ও সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের কাছে আর্থিক সহযোগিতা প্রাপ্তির জন্য যোগাযোগ করা হয়েছে এবং তাদের কে বিষয়টি সম্পর্কে জ্ঞাত করা হয়েছে । শহীদ মিনার ভেঙ্গে এম.পির পিতার ম্যুরাল তৈরি করা হয় নাই, আগের শহীদ মিনারের পাশের জায়গায় এমপির পিতা মরহুম আহম্মেদ তফিজ উদ্দিনের মুর‌্যাল তৈরী করা হচ্ছে। মরহুম আহম্মদ তফিজ উদ্দিন পাবনা-২ (সুজানগর-বেড়া) আসন থেকে ৩ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং ২ বার উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ভারতের কেচুয়া ডাঙ্গা মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ইনচার্জ ছিলেন। শহীদ মিনার ভেঙ্গে পিতার মুর‌্যাল বানালেন এমপি সংবাদটি সঠিক নয়। এমপি এবং কলেজ কতৃপক্ষকে হেয় প্রতিপন্ন করতে এবং উদ্দেশ্য প্রনোদিত হয়ে সংবাদটি পরিবেশন করা হয়েছে।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-সুজানগর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন, সাতবাড়িয়া ইউ.পি চেয়ারম্যান ও গভণিং বডির সদস্য সামছুল হক,্ আহম্মদ তফিজ উদ্দিনের পুত্র আহম্মেদ ফারুক কবীর বাবু, এ্যাড. আহসান হাবিব, গভনিং বডির সদস্য রফিকুল ইসলাম।