প্রধান মেনু

বগুড়ায় পেশাজীবি গাড়ি চালকদের ২ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বগুড়া জেলা প্রতিনিধি: ‘চালালে গাড়ী সাবধানে বাঁচবে সবাই প্রাণে’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বগুড়ায় ২ দিন ব্যাপি পেশাজীবি গাড়ী চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি বগুড়া’র আয়োজনে এবং বগুড়া জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ প্রশিক্ষনের আয়োজন করা হয় যেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের পেশাদার প্রায় দেড় শতাধিক চালককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। দিনব্যাপী কর্মশালায় চালকদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন বিআরটিএ বগুড়ার মোটরযান পরিদর্শক প্রকৌশলী এস এম সবুজ। তিনি তার বক্তব্যে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সকলকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে নিজের এবং দেশের স্বার্থে সচেতন হওয়ার আহবান জানান। দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে চালকদের সড়ক পরিবহন আইন, সড়কে থাকা বিভিন্ন সিগন্যাল এবং নির্দেশনা সম্পর্কে অবগত করেন। সেই সাথে নৈতিকতা ও শিষ্টাচার এর উপর তিনি চালকদের উদ্দেশ্যে বিশেষ সেশন পরিচালনা করেন। প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী একাধিক পেশাদার চালকের সাথে কথা বললে তাদের অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে জানান, ‘তাদের দীর্ঘ ড্রাইভার জীবনে অনেক কিছুই তারা অবগত ছিলেন না, যার কারণে প্রতিনিয়ত তারা নিজেদের অজান্তেই আইন লঙ্ঘন করেছেন সাথে সাথে ছোট-বড় অনেক দুর্ঘটনা ঘটতে দেখেছে শুধুমাত্র সঠিক জ্ঞানের অভাবে’। বিআরটিএ কর্তৃক আয়োজিত উক্ত প্রশিক্ষণের জন্যে তারা কর্তৃপক্ষের প্রতি ধন্যবাদও জ্ঞাপন করেন। কর্মশালায় এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ বগুড়ার মোটরযান পরিদর্শক (দায়িত্বপ্রাপ্ত) মো. হাসান, শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী সদস্য আলহাজ্ব ইউনুছ আলী লয়া প্রমুখ। উল্লেখ্য, বগুড়া বিআরটিএ তে মোটরযান পরিদর্শক হিসেবে ইঞ্জি: এস.এম সবুজ যোগদানের পর থেকেই জনসাধারণ হয়রানিমুক্ত আন্তরিক সেবা পেয়ে যাচ্ছে। ইঞ্জি: সবুজ দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি পেশাদার ও অপেশাদার গাড়ি চালকদের মাঝে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সর্বদা সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেয়ার প্রয়াস করে যাচ্ছে যার বেশ ইতিবাচক ফলাফলও লক্ষ্যে করা গেছে বগুড়ায়। সকলের সন্মিলিত ইচ্ছা ও সচেতনতাই পারবে বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করতে এমন ইতিবাচক চিন্তা নিয়ে একজন মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে তিনি জনগণের কাতারে থেকে তাদের নিজের সর্বোচ্চ সেবাটুকু প্রদানের ইচ্ছা ব্যক্ত করেন বগুড়া বিআরটিএ’র এই কর্মকর্তা।