প্রধান মেনু

বান্ধবীকে সরকারি দপ্তরে আনছেন বরিস জনসন

সদ্য নির্বাচিত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বুধবার ১০ নং ডাউনিংস্ট্রিটে তার সরকারি দপ্তরের বিখ্যাত কালো দরজাটি খুলে প্রবেশ করেছিলেন। তবে প্রায় অর্ধশতাব্দির মধ্যে জনসনই প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি স্ত্রী ছাড়া দপ্তরে প্রবেশ করলেন।

বরিস জনসনের বান্ধবী ও কনজারভেটিভ পার্টির প্রাক্তন যোগাযোগ বিষয়ক প্রধান ক্যারি সিমন্ডসকে বুধবার (২৪ জুলাই) কর্মকর্তাদের পাশে দাঁড় করিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে একাই প্রবেশ করেন জনসন।

নতুন এ প্রধানমন্ত্রীর (৫৫ বছর) ব্যক্তিগত রঙিন জীবনের এই চিত্রটিই বলে দিচ্ছে, তিনি ঐতিহ্য নয়, বরং বিতর্কিত আধুনিক ব্রিটিশ জীবনধারাতেই চলতে স্বাচ্ছ্যন্দবোধ করেন।

দশকের পর দশক যাবত দেখা গেছে, নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ১০ নং ডাউনিংস্ট্রিটে যখন প্রবেশ করেন তখন তার পাশে স্ত্রী থাকেন। এমনকি অনেক প্রধানমন্ত্রীকে তাদের সন্তানদের পাশে রেখে সংবাদকর্মীদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়তে নাড়তে প্রথম দিন দপ্তরে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।

গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে স্ত্রী ম্যারিনা হুইলারের সাথে বিচ্ছেদ করার ঘোষণা দেন বরিস জনসন। ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার প্রক্রিয়া শুরুর কথাও জানান এই দম্পতি। তাদের এই বিবাহিত জীবন গড়পড়থায় ইংল্যান্ড ও ওয়ালসের বিবাহিত জীবনের দ্বিগুন সময়, যেখানে প্রতি বছর ১০০ বিয়ের মধ্যে ৬৪টিরই তালাক হয়ে যায়।

সিমন্ড বরিসের পাশে না দাঁড়ালেও ক্যামেরার পেছনে সিমন্ডের উপস্থিতি প্রমাণ করে দিয়েছে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। সরকারি বাসভবনে বান্ধবীকে নিয়ে উঠলে গত ১৭৩ বছরের মধ্যে ৩১ বছরের সিমন্ডই হবেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গিনীদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ ।

গত মাসে বান্ধবী ক্যারি সিমন্ডসের সঙ্গে তুমুল ঝগড়া হয় জনসনের। লন্ডনে সিমন্ডসের বাড়িতেই থাকতেন জনসন। সেই ঝগড়ার অডিও ধারণ করে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন এক প্রতিবেশী। দলের নেতা নির্বাচনের প্রার্থীতার সময় জনসনের এই বান্ধবী-কাণ্ডটি উঠে এসেছিল আলোচনার কেন্দ্রে।