প্রধান মেনু

বড় জমায়েত এড়িয়ে চলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা: করোনাভাইরাসের কারণে বড় জমায়েত এড়িয়ে চলার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৯ মার্চ) নিজ কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশ দিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম।

ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম জানান, করোনাভাইরাস যখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধরা পড়েছে তখন থেকে আমাদের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। আমরা সব সময়ই এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা নিয়ে থাকি। চীন থেকে যখন ছাত্রদের নিয়ে আসা হলো তখনও আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে কোয়ারেনটাইনে রাখার ব্যবস্থা করেছিলাম।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হলো এটি ছোঁয়াচে রোগ, এটা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই আমাদের। সারা পৃথিবীতে এটি হয়েছে, সেসব দেশ সব কিছু ম্যানেজ করছে। রোগটির জন্য কর্মকৌশলে তিন স্তরের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথমত ব্যবস্থা হিসেবে যাতে ভাইরাসটি দেশে না আসে, সে বিষয়টি কন্ট্রোল করা। দ্বিতীয়ত যদি আসে তাহলে একজন থেকে আরেকজনে না ছড়ায় সে জন্য ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল করার ব্যবস্থা। তৃতীয়ত যদি কিনা আবির্ভাব হয় কিভাবে তা ম্যানেজ করা। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন এই রোগের জন্য আমরা যেন আতঙ্কিত না হই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে আমরা বড় গ্যাদারিং এড়িয়ে চলব যতটুকু সম্ভব।’

এছাড়া মন্ত্রিসভায় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর আইন ২০১৯ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আইনে ভার্চুয়াল জাদুঘর করার বিষয়টিও যুক্ত করা হয়েছে। এতে ২৫টি ধারা রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো ভার্চুয়াল জাদুঘর পরিচালনা করা হবে। এর জন্য প্রত্মতাত্ত্বিক বোর্ড গঠন করা হবে। বোর্ডে একজন মহাপরিচালক থাকবেন। আর একজন কিউরেটর ও একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট কিউরেটর থাকবেন।

সচিব জানান, ভার্চুয়াল জাদুঘর করার বিষয়টি আইনে যুক্ত করা হয়েছে। আগে এটি ছিল না, আজকের বৈঠকে এটি যুক্ত করা হয়েছে। আগে ডিজিটাল জাদুঘরের বিষয়টি ছিল কিন্তু ভার্চুয়াল নতুন সংযোজন। যারা জাদুঘরে যাবেন না, তারা যেন ভার্চুয়াল জাদুঘরে সব দেখতে পারেন, সেজন্যই এটি করা হয়েছে।