প্রধান মেনু

মা-বাবার সাথে ইমরান জর্দায় আসক্ত হয়ে পড়ে

ভাঙ্গুড়ায় হাকিমপুরী জর্দা খেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় হাকিমপুরী জর্দা খেয়ে ইমরান হোসেন (১০) নামে এক স্কুলছাত্র মারা গেছে। শনিবার দুপুর দুইটার দিকে সে নিজ বাড়িতে মারা যায়। ইমরান উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের মহিষবাতান গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে ও নুন্দীমরিচ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র।
স্বজনরা জানায়, ইমরানের মা ও বাবা নিয়মিত জর্দা ও পান খায়। মা-বাবার সাথে একপর্যায়ে ইমরান নিজেও জর্দা খেতে শেখে। এতে জর্দায় আসক্ত হয়ে গত কয়েক মাস যাবত সে বাড়িতে রাখা হাকিমপুরী জর্দা খেত। এ অবস্থায় শনিবার দুপুরে ইমরান স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে বাড়িতে রাখা হাকিমপুরী জর্দা বেশি পরিমাণে খেয়ে ফেলে। এসময় সে মাথা ঘুরে পড়ে যায়। তখন বাড়ির লোকজন তার মাথায় পানি ঢেলে সুস্থ করার চেষ্টা করে। কিন্তু মুহূর্তেই সে মারা যায়। এদিকে ইমরান মারা যাওয়ার পর থেকেই ওই বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। ইমরানের বাবা ও মা কাঁদতে কাঁদতে প্রায়ই মূর্ছা যাচ্ছেন। প্রতিবেশী ও স্বজনরা তাদেরকে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন।
ইমরানের নিকটাত্মীয় হেলাল খান বলেন, মা-বাবার সাথে ইমরান পান ও জর্দা খাওয়া শিখেছিল। একপর্যায়ে ইমরান জর্দার নেশায় প্রচন্ড আসক্ত হয়ে পড়ে। এ আসক্ত থেকে শনিবার সে বেশি পরিমাণে জর্দা খেয়ে ফেলে। এতে সে মারা যায়।
মহিষবাতান গ্রামের ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ কালু মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পরিবারের সদস্যদের অসচেতনতার কারণে ইমরান জর্দায় আসক্ত হয়ে পড়ে। পরে এই জর্দা খেয়ে তাকে মরতে হলো।