প্রধান মেনু

সাঁথিয়ায় মসজিদ কমিটি গঠনে সংঘর্ষ। চেয়ারম্যানসহ আহত ১৫, আটক-২

সাঁথিয়া প্রতিনিধিঃ
দেশসহ সারা বিশ্ব যখন করোনা ভাইরাস নিয়ে উদ্বিগ্ন-শঙ্কিত সেই মহুর্তে একটি মসজিদের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুগ্র“পের সংঘর্ষে ইউপি চেয়ারম্যানসহ উভয় পক্ষের ১৫জন আহত হয়েছে। ইউনিয়ন আ:লীগের সহসভাপতিসহ আটক-২। ঘটনাটি ঘটেছে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার ভুলবাড়িয়া ইউনিয়নে রতনপুর গ্রামে শনিবার সন্ধ্যায়।
জানা যায়, রতনপুর গ্রামের পুরাতন জামে মসজিদের স্থানীয়রা পৃথক পৃথক দুইটি কমিটি গঠন করে। প্রথম কমিটির সভাপতি আকবার আলী ও ২য় কমিটির সভাপতি খালেদ মোশারক্ষফ টুটুল। মসজিদ পরিচালনায় দুই কমিটি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এমতাবস্থায় শান্তির লক্ষ্যে গত শনিবার ১৩ জুন বিকালে সাঁথিয়া উপজেলার ভুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ:লীগের সভাপতি আলহাজ আবু ইউনুস আহবায়ক হয়ে মিমাংসার লক্ষে দুগ্র“পের দুই কমিটির সদস্যদের নিয়ে স্থানীয় মাদ্রাসা মাঠে বৈঠকে বসেন। প্রথম কমিটির সভাপতি ও ইউনিয়ন আ:লীগের সহসভাপতি আকবর আলী সমর্থক ও অপর কমিটির সভাপতি ইউনিয়ন আ:লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মোশারক্ষফ টুটুলের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। উভয় গ্র“প ইট পাটকেল, লাঠি নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে চেয়ারম্যান আলহাজ আবু ইউনুস, ইউনিয়ন আ:লীগের সাধারন সম্পাদক শামসুল হক সান্টুসহ উভয় গ্র“পের আয়ুব আলী, আকবার আলী, সুমন, ইসমাইল, আজিজ মৃর্ধা, আলামিন, ওহেদালী, মামুন, রেজাউল, আব্বাস, ফজর আলী, মাবুল, সবুর আলী আহত হয়। এঘটনায় টুটুল বাদী হয়ে ২৩ জনকে আসামী করে আতাইকুলা থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে আকবার আলী ও তার ভাই আঃ মোতালেবকে আটক করে আদালতে প্রেরন করে।
এ বিষয়ে টুটুল বলেন, স্থানীয় জামায়াত নেতা মওলানা হাসান আলীর ইন্দনে গ্রামের বেশীর ভাগ মানুষকে বাদ দিয়ে গোপনে তার পকটস্থ লোকদের নিয়ে মনগড়া কমিটি গঠন করে। গ্রামের সিংহভাগ মানুষ বিরোধপূর্ণ কমিটিকে প্রত্যেক্ষন করে আমাদের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অপর দিকে আকবার গ্র“পের সমর্থ্যকরা বলেন, রতনপুর গ্রামের লোকজন মিলে অনেক দিন ধরে আকবারকে সভাপতি করে মসজিদ পরিচালনা করে আসছিল। এতে জন সাধানরে দানের টাকা সঞ্চয় করে ৬০ বাই ৩৫ ফিট প্রায় বিশ লক্ষ টাকা ব্যায়ে মসজিদ নির্মান করে। গত ডিসেম্বর /১৯ কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় আকবার আলী দৃতীয়বার সভাপতি নিযুক্ত হয়। তার নেতৃত্বেই মসজিদের উন্নয়রেনর কাজ অব্যহত আছে। হঠাৎ করে টুটুলের নেতেৃত্বে নতুন কমিটি গঠন করলে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
ভুলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ আবু ইউনুস সংঘর্ষের সত্যতাস্মীকার করে বলেন, এ মসজিদের পৃথক দুইটি কমিটি হওয়ায় বিরোধ সৃষ্টি হয়। যাহা মিমাংসার লক্ষে বসলে সংঘর্ষ হয়।