প্রধান মেনু

হত দরিদ্র মা -বাবার একমাত্র সন্তানকে বাঁচানোর আকুতি

ফরিদপুর (পাবনা) :
দুই বছরের সংসার জীবনে আশার আলোর প্রদীপ হয়ে ফুটফুটে সন্তানের জন্ম নিলে পরিবারে অনাবিল সুখে ভড়ে ওঠে তাদের পরিবার। আত্মীয়- স্বজন দাদী- দাদা সবাই ভালোবেসে নাম রাখে সুমাইয়া। আস্তে আস্তে পরিবারের সেই আনন্দ দুঃখে ভড়ে ওঠে। পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার চিথুলিয়া গ্রামের দিন মুজুর রুসনা সরকারের সাথে ২ বছর আগে বিয়ে হয় একই উপজেলার মানান গ্রামের লাবণী খাতুনের সাথে। বিয়ের ২ বছর পরে গত ৪ মাস আগে লাবণীর কোল জুড়ে আসে ফুটফুটে শিশু সুমাইয়া পরিবারে বয়ে যায় আনন্দের বন্যা। কিন্তু ২০দিন পর মুখে একটি লাল দাগ দেখতে পায় লাবণী। প্রথমে স্বাভাবিক মনে হলেও দিন যতই গড়ায় চিহিৃত স্থানের আকারও বাড়তে থাকে। চিকিৎসকের নিকট গেলে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তারা এটাকে হ্যামান জিওমা রোগ সনাক্ত করেন। এটি অপসারন করতে হলে প্রায় ৫ লাখ টাকা প্রয়োজন। চিকিৎসা ব্যায়ের কথা শুনে রুসনা- লাবণী দম্পত্তির মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। যেখানে ছোট্র একটি ঘরে শিশু কণ্যা সুমাইয়াকে নিয়ে বসবাস করে দিনমুজুর রুসনা- লাবণী সেখানে ৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করা তাদের কাছে অসম্ভব ব্যপার হয়ে দাড়ায়। গত ৪ মাসে সুমাইয়ার চিকিৎসার জন্য পাবনা সদর হাসপাতাল, নটোরের বনপাড়া মিশন পাসপাতালসহ বিভিন্ন জায়গায় দৌড়া- দৌড়ি করতে তাদের অনেক টাকা ঋণ হয়ে গেছে। লাবণী বলেন, কোন স্বহৃদয় ব্যক্তি আমাদের এই বিপদে এগিয়ে আসতেন তাহলে আমরা শিশুটিকে বাঁচাতে পারতাম। এব্যাপারে লাবণীর মোবাইল নাম্বার ০১৭৭১-৭৭১৬৮২ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।