পাবনা প্রতিনিধি : পাবনা সুজানগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ইউনিটের ডেপুটি কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাইকে শারীরিক ভাবে প্রহৃত করেছে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শামীম আদম লিটন। এ ঘঁটনায় দোষী ছাত্রলীগ নেতাকে বিচারের দাবী করেছেন পাবনা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ইউনিট ও সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের একাংশ। কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগ বহিস্কার করেছে সুজানগর উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতিকে।

স্থানীয়সুত্রে জানাগেছে, সুজানগর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শামীম আদম লিটন তার পিতাকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকাভুক্ত করার জন্য মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে চাপ দিয়ে আসছিল। তাদের চাপে নতি স্বীকার না করায় সোমবার দুপুরে লিটন ১৫/২০ জনের বাহিনী নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা অফিসে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাইকে চাপ দেয়। হাই তাদেও প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এক পর্যায়ে লিটন বাহিনী হাইকে শারীরিক ভাবে প্রহৃত করে। এ সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়ী নিয়ে যায়। এই বিষয়টি হাই জেলা কমান্ড ইউনিটকে জানায়।
লিটন জানায়- আমি তাকে প্রহৃত করি নাই। তবে আমার সথে থাকা কয়েকজন ছাত্রলীগের নেতা চড়াও হয়েছিল। বহিস্কারের চিঠি পাই নাই ।
এ ব্যাপারে আব্দুল হাই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন- বিষয়টি আমাদের জন্য খুবই লজ্জা জনক।
সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল ওহাব বলেন- হাই ভাই আমাদের দলের সাথে জড়িত। বিষয়টি নিয়ে লিটনের নাথে ভুল বুঝাবুুঝি হয়েছিল। বসে ঠিক করে দেয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে জেলা কমান্ডার হাবিবুর রহমান হাবিব জানান- একজন মুক্তি যোদ্ধা কমান্ডারের গায়ে আঘাত করা মানে সমস্থ মুক্তিযোদ্ধকে অপমান করা। তার বাবা যদি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হতো তাহলে কেন আমরা বাদ দেব। তাদের এই অনৈতিক দাবির কাছে আমরা মুক্তিযোদ্ধারা মাথা নত করিনাই। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হলে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে প্রহৃত করতে পারত না। আমরা এর বিচার চাই।
এদিকে সোমবার দলীয় শৃঙ্খল ভঙ্গের কারণে সুজানগর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শামীম আদম লিটনকে দল থেকে বহিস্কার করছে কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগ। কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞাপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author