Main Menu

চিংড়ির বহু গুণ

চিংড়ি শুধু সুস্বাদু খাবারই নয়, এর বহু গুণও রয়েছে। কিন্তু অনেকেরই চিংড়ির এসব গুণের কথা সম্পর্কে জানা নেই। এ লেখায় তুলে ধরা হলো চিংড়ির কয়েকটি গুণের কথা।

শারীরিক দুর্বলতায়
আয়রনের ঘাটতির জন্য অনেকেই দুর্বল হয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে চিংড়ি দেহের ১৭ শতাংশ আয়রনের চাহিদা পূরণ করে এবং এনার্জি সরবরাহ করে। এতে শরীরের দুর্বলতা কেটে যায়।
হাড়ের ক্ষয়রোধ
চিংড়িতে রয়েছে প্রায় ১৪ শতাংশ ফসফরাস। চিংড়ি খাওয়ার অভ্যাস দেহের ফসফরাসের চাহিদা পূরণ করে, যা হাড়ের ক্ষয় রোধ করে এবং হাড় মজবুত করতে বিশেষভাবে কাজ করে।
ক্যান্সার প্রতিরোধ
চিংড়িতে রয়েছে সেলেনিয়াম নামে একটি উপকারী উপাদান। গবেষকদের মতে, এই সেলেনিয়াম দেহে ক্যান্সারের কোষ গঠনে বাধা দিয়ে থাকে। তাই নিয়মিত চিংড়ি খেলে দেহে বেশ কয়েক ধরনের ক্যান্সারের আক্রমণের আশঙ্কা কমে যাবে।
রক্তস্বল্পতা দূর করে
দেহের রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা, অর্থাৎ রক্তের লাল কণিকা বাড়াতে সহায়তা করে চিংড়ি। চিংড়ি দেহের ভিটামিন ‘বি-১২’-এর চাহিদা প্রায় ২৫ শতাংশ দূর করে। ফলে রক্তস্বল্পতা থাকে না।
ত্বক, চুল ও নখের সুরক্ষা
চিংড়িতে আছে প্রচুর প্রোটিন। এটি দেহের চাহিদা পূরণ করতে সহায়তা করে। ফলে ত্বক, চুল ও নখ থাকে সুরক্ষিত।
ওমেগা থ্রি
চিংড়িতে পাওয়া যায় ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড। এটি বিষণ্নতা দূর করা ছাড়াও নানাভাবে দেহের উপকার করে। ১০০ গ্রাম চিংড়িতে রয়েছে প্রায় ৩৪৭ মিলিগ্রাম ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড।
মূত্রথলির সমস্যা দূর
চিংড়িতে রয়েছে পর্যাপ্ত জিংক। গবেষণায় দেখা যায়, জিংক মুত্রথলিসংক্রান্ত নানা রোগ ও ইনফেকশন থেকে আমাদের রক্ষা করতে পারে। এমনকি মুত্রথলির ক্যান্সারের হাত থেকেও রক্ষা করে।
থাইরয়েডের সমস্যায়
চিংড়িতে রয়েছে প্রচুর কপার। এটি থাইরয়েডগ্রন্থির কর্মক্ষমতা বাড়ায় এবং থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা ঠিক রাখতে সহায়তা করে।
ডায়াবেটিসে রক্ষা
চিংড়ির ম্যাগনেসিয়াম দেহকে টাইপ-২ ডায়বেটিসের হাত থেকে রক্ষা করে। এটি রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সহায়তা করে।