পাকশী রেলওয়ে বিভাগীয় ডিপিও অফিসের করনিকদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

স্টাফরিপোর্টার,ঈশ্বরদী ॥ পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের ডিপিও অফিসের বিভিন্ন করনিকদের ঘুষ দূর্ণীতি ও অনিয়মের কারণে বুকিং সহকারী,পোর্টার,টিসি,টিটিই,পাওয়ারকার ড্রাইভার ও ইলেকট্রিক খালাসীসহ পেনশনহোল্ডাররা বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। ডিপিও সদর আলীর অসুস্থতার সুযোগে করনিকরা অবৈধ টাকা আদায়ের জন্য তাদেরকে মাসের পর মাস নাজেহাল করে ঘোড়াচ্ছে। কোন কোন সময় চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণকারী পেনশন হোল্ডারদের ফাইল গায়েব করে দেওয়া হয়। করনিকদের চাহিদামত ৪০/৫০ হাজার টাকা দেওয়া হলে সেই ফাইল খুজে পাওয়া যায়। রাজবাড়ির ও হালসার ভুক্তভোগি পোর্টারসহ সংশ্লিষ্টদের দেওয়া অভিযোগ সুত্রে এসব তথ্য জানাগেছে।
সুত্রমতে,পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশীতে দেশের রেলওয়ে অঞ্চলের প্রথম ও বৃহৎ রেলওয়ে বিভাগীয় কার্যালয়। এ কার্যালয়ের অধীনস্ত বিভাগীয় ডিপিও অফিস অবস্থিত। এ অফিসের মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারিদের মধ্যে ডিপিও অফিসের বিভিন্ন করনিকদের মাধ্যমে অবসরভাতা চালু,টিএডিএ বিল প্রস্তুত,ইনক্রিমেন্ট চালু,বেতন বিল প্রস্তুতসহ সংস্থাপন বিভাগের নানা প্রকার বিল প্রস্তুত করা হয়। টাকা না দিলে কোন ফাইল নড়ানো হয়না। নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পাওয়ার পর ফাইল নড়ানো হয়। অহেতুক অপসরপ্রাপ্তদের ঘোড়ানো ও নাজেহাল করা হচ্ছে।খুলনা ম্যাকানিক্যাল বিভাগের ক্যারেজ ফিটার মোকছেদ আলী ছয়মাস আগে পূর্ণ অবসর গ্রহণ করেন। টাকা না দেওয়ায় ১৮ মাসের অনুদান দেওয়া হচ্ছেনা। ফলে তার অবসর ভাতাও চালু হচ্ছেনা। এ কারণে দরিদ্র পরিবারের মোকছেদ আলী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মানবেতর জীবণযাপন করছেন।এসএসএই ঈশ্বরদীর অধীনস্ত ওয়েম্যান আরশেদ আলী ও টলিম্যান ইয়াকুব আলী ছয়মাস আগে পূর্ণ অবসর গ্রহণ করলেও আজ অবধি তাদের সার্ভিস বইয়ে বেতন বৈষম্য দুরীকরণ করা হয়নি। এফ এ্যান্ড সিএও অফিসের হিসাব রক্ষক সানোয়ার হোসেন ও তার সহকারী অডিটর সজিব ৩৫ হাজার টাকা নেওয়ার পরও অহেতুক তাদের নাজেহাল করে ঘোড়াচ্ছেন। এরকম অভিযোগ পাকশী ডিপিও অফিসের বেশীরভাগ করনিকের বিরুদ্ধে। নানা দেনদরবার করেও কোন কাজ না হওয়ায় ভুক্তভোগিরা বলছেন অভিযুক্ত করনিকদের আচরণে মনে হয় তারা চাকুরি করছেন না। তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে বসেছেন। তারা এও বলছেন যে,ডিপিও সদর আলীর অসুস্থতার সুযোগে করনিকরা গোটা অফিসকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। অনিয়ম দূর্ণীতির সাথে জড়িত প্রত্যেকটি করনিককে রেলওয়েকে রক্ষার স্বার্থে জরুরি ভিত্তিতে বদলী করারও দাবি করেন ভুক্তভোগিরা। এসব অভিযোগের বিষয়ে ইটি প্রধান সহকারী ইকবাল হায়দার বলেন,কোন অভিযোগ ঠিকনা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author