জাতীয়করণের দাবীতে বে-সরকারি কলেজ শিক্ষক নেতৃবৃন্দের জরুরী সভা পাবনায়

স্টাফ রিপোর্টার ঃ বে-সরকারি কলেজ শিক্ষকদের এক জরুরী সভা গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭ টায় পাবনা কলেজের অধ্যক্ষ জু.হা.মোঃ আতিকুল্লাহ এর সভাপতিত্বে তারই কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায়৫% প্রবৃদ্ধি, বৈশাখী ভাতা, উৎসব ভাতা সহ বে-সরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা জাতীয়করণের দাবীতে বিভিন্ন কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্বাধিনতা শিক্ষক পরিষদের পাবনা জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ মেনহাজ উদ্দিন। বাকশিস পাবনা জেলা শাখার সদস্য সচিব এস.এম.মাহবুব আলমের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন বাকশিস যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান বাবু ও শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোট পাবনা শাখার সদস্য সচিব এনামুল হক রঞ্জু। খয়েরসুতি উ”চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ জিয়াউল হক, সেলিম রেজা হাবিব ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ফারুক রেজা হাবিব, পদ্মা কলেজের অধ্যক্ষ সাহাব উদ্দীন,শহীদ সাধন সঙ্গীত মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মনিরা পারভীন, পাবনা আলিয়া মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মির্জা আশরাফুল ইসলাম,খিদিরপুর ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক ওসমান গণি,হাজী জসীম উদ্দিন ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক মির্জা মোশাররফ হোসেন ও রফিকুল ইসলাম সুইট,ধুলাউড়ি ডিগ্রী কলেজের উপাধ্যক্ষ শফিকুল ইসলা, প্রভাষক শহিদুল ইসলাম,পাবনা আদর্শ মহিলা কলেজের প্রভাষক হেলাল উদ্দিন, জাহিদুল ইসলাম ও আব্দুল্লাহ আল মামুন, শহীদ এম মনসুর আলী কলেজের সহকারী অধ্যাপক শেখ আল মাহমুদ,সহকারী অধ্যাপক এ.এইচ.এম মোস্তফা কামাল, প্রমুখ। সভায় বে-সরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের ৫% প্রবৃদ্ধি সহ জাতীয়করণের জোর দাবী জানানো হয়। বক্তারা বলেন,সরকার জুলাই ২০১৬ খ্রি. হতে দেশের সরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক কর্মচারীদের ইনক্রিমেন্ট (৫%, ৪%, ৩% হারে) প্রদন করছেন। যারা দেশের ৯৫% শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে জড়িত সেই বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা এখন পর্যন্ত এসুবিধা হতে বঞ্চিত। এছাড়া বৈশাখী উৎসব ভাতা থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে। দুই ঈদের বোনাস, বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা দেয়া হয় যতসামান্য। একই সিলেবাস, একই পাঠদান একই পরিশ্রম করার পরেও সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারিদের মধ্যে বেতন বৈষম্যের ব্যবধান আকাশ-পাতাল। ‘বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীগণ মনে করেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণই এর একমাত্র সমাধান হতে পারে। তারা আরো মনে করে বঙ্গব›দ্ধু কন্যা ‘মাদর অব হিউমিনিটি’ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষেই সম্ভব সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা। যেমনটি করেছিলেন বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author