সুজানগর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত

সুজানগর (পাবনা) প্রতিনিধিঃ পাবনার সুজানগর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় পাবনা জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়েছে। রোববার তিনদিন ব্যাপী পাবনা পুলিশ লাইন মাঠে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এ মেলায় জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে ঐতিহ্যবাহী সুজানগর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে নির্বাচিত হয়েছে। রোববার মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে জেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষনা করা হয় সুজানগর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাহিনুজ্জামান শাহিন ও প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেনের হাতে ক্রেস ও পুরুষ্কার তুলেদেন পাবনা জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন। এসময় পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শাফিউল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবি এম ইফতেখার ইসলাম খন্দকার, জেলা শিক্ষা অফিসার নাসির উদ্দিন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কায়ছারুল, সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ মাহমুদ সহ অনান্য অতিথি বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সুজানগর পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুজ্জামান শাহিন জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে নিরলস ভাবে যে কাজগুলো করে যাচ্ছেন। এর মধ্যে একটি হল দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা। এর অংশ হিসাবে ভালমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করে দেওয়া, শিক্ষার্থীদের মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের মাধ্যমে পাঠদান করানো এবং বিজ্ঞানাগার স্থাপন। আর শিক্ষার্থীদের জন্য এসকল সুযোগ সুবিধা আমার বিদ্যালয়ে রয়েছে। এবং বিদ্যালয়ের পড়া-শুনার মান ও বিভিন্ন পাবলিক পরিক্ষার রেজাল্টের দিক থেকেও আমার এই বিদ্যালয়টি উপজেলার র্শীষে রয়েছে। আর আমার পিতা প্রয়াত আবুল কাশেম এই বিদ্যালয়ে সভাপতি থাকাকালিন সময়ে তার মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের কাজ করে গেছেন। আমিও যেন আমার পিতার আদর্শকে বুকে ধারণ করে এই বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারি। এই জন্য সকলের নিকট আন্তরিক সহযোগীতা ও দোয়া কামনা করি। প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেন জানান আগামীতেও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাগনের আন্তরিকতায় ও শিক্ষার্থীদের প্রচেস্টায় এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে কাজ করে যাব। সিনিয়ির সহকারী শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান জানান বিদ্যালয়টি ১৯৫৬ সালে ৩ একর ১০ শতাংশ জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে কারিগরি (ভোকেশনাল) শাখা সহ বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ১ শত ৬৫ জন। ইতি মধ্যে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হয়েছে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author