কৃষি বাতায়ন ও ই-কৃষি সেবার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

কৃষককে ‘ডিজিটাল সেবায়’ নিয়ে আসতে এবার নতুন একটি প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাসিনা। কৃষি বিষয়ক যে কোনও পরামর্শের জন্য কৃষককে আর কৃষি কর্মকর্তার দুয়ারে ছুটতে হবে না। একটি নম্বরে ডায়াল করেই তার সমস্যার সমাধান জানতে পারবে তারা।

বুধবার বেলা পৌনে ১টার দিকে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি এই সেবার উদ্বোধন ঘোষণা করেন। যার নাম রাখা হয়েছে ‘কৃষকবান্ধব ফোন সেবা।’ একই অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করা হয় কৃষকদের জন্য তথ্য সেবা কৃষি বাতায়ন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতি কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই । সেজন্য কৃষি বাতায়ন করা হয়েছে। কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য যেন কৃষকরা সংগ্রহ করতে পারেন সেজন্য কৃষকবন্ধু ফোনসেবা কর্মসূচি করতে যাচ্ছি। কৃষকরা বিভিন্নভাবে উপকৃত হবেন। ডিজিটাল পদ্ধতি দিয়ে যেন কৃষকরা সুযোগ সবিধা পায় এবং উৎপাদন বাড়াতে কী করণীয় জানতে পারে সেজন্যই এ ব্যবস্থা।’

তিনি আরও বলেন, ৩৩৩১ নম্বরে যে প্রশ্নগুলো আসবে সেগুলো সংগ্রহ করতে হবে। কিছু প্রশ্ন বারবার আসবে। সেগুলো রেকর্ড করে রাখলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কৃষক পেয়ে যাবেন। সেটা প্রবর্তন করার জন্য জয়ের কাছে (প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়) জানলে পরামর্শ দিতে পারবে। এটা কঠিন কাজ হবে না। তাতে সময় বাঁচবে। আমাদের কর্মকর্তাদেরও তটস্থ থাকতে হবে না।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মোবাইল ফোন কেবল গল্প করার জন্য না। ডিজিটাল সেন্টারে গিয়ে কৃষকরা যেন তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন সেটাও লক্ষ্য রাখতে হবে। এখান থেকে উৎপাদিত পণ্যের বাজার দর জানা যাবে। কেউ কৃষকদের ঠকাতে পারবে না। ফোনে তারা মূল্য জেনে নিতে পারবেন। শুধু কৃষি সেবা নয়, খাদ্য উৎপাদন বাড়াতেও এই পদ্ধতি উপযোগী। কৃষি শিক্ষা নিয়ে কৃষি কাজে যাওয়া যাবে না, এই মনোভাব্ থাকা উচিত না।

তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা দেওয়া, ক্ষুধার্ত মুখে খাদ্য জোগানোর চেয়ে বড় কাজ কিছু হতে পারে না। সেজন্য আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করছি।

সবাই মিলে জাতির জনকের স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী কৃষি বাতায়ন ও ই-কৃষি সেবার উদ্বোধন করেন।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author