নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় সুজানগর উপজেলার সাগরকান্দি বাজারের ডিলার ইউসুফ আলী খান ও মানিকহাট ইউনিয়নের উলাট বাজারের ডিলার হুমায়ন কবির এর বিরুদ্ধে হত দরিদ্র উপকার ভোগী ভোক্তাদের মাঝে ১০ টাকা কেজি দরের চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও সীমাহীন দূর্নীতির অভিযোগ ভোক্তাদের ও স্থানীয় সমাজ সেবকদের। সুজানগর উপজেলা খাদ্য বিভাগ থেকে গত মাসে অনিয়মের নতুন ২ জন ফেয়ার প্রাইজ ডিলার নিয়োগ প্রদান করা হয়। সাগরকান্দি বাজারের ডিলার ইউসুফ আলী খান এর অধিনে ৪শত ভোক্তা কার্ড ও মানিকহাট ইউনিয়নের উলাট বাজারের ডিলার হুমায়ন কবিরের অধিনে ৪শ ৫০ ভোক্ত কার্ড, ৯নং ওয়ার্ডের ১শ ৫০ জন ভোক্তা কার্ড, ৬নং ওয়ার্ডে মাত্র ২ জন ভোক্তা কার্ড উপজেলা খাদ্য বিভাগ ও সাগরকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নামের তালিকা প্রণয়ন করা হয়। ডিলার ইউসুফ আলী ৯নং ওয়ার্ডের ১শ ৫০ জন কার্ডধারীকে ১০ টাকা কেজির ৩০ দিনের ৩০ কেজি চাল ৩শ টাকায় বিক্রি না করে খলিলপুর বাজারের ডিলার এবিএম নজরুল ইসলামের বিক্রয় কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেয়া হয়। ১শ ৫০ জন ভোক্তা ১০টাকা কেজি চাল কেনা থেকে বঞ্চিত। অপর দিকে উলাট বাজারের ডিলার হুমায়ন কবির এর কোন দোকান বা ঘর নাই, এমনকি উলাট নামক কোন বাজার ও নাই। গত ২৯ নভেম্বর তারিখে মঙ্গলবার ধায্য তারিখে ভোক্তাদের মাঝে ১০ টাকা কেজি চাল বিক্রি করেন নাই। ৩০ নভেম্বর তারিখে ডিলার হুমায়ন কবির মমিন পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সরকারের নীতিমালা উপেক্ষা করে প্রায় ১শ জন ভোক্তার মাঝে চাল বিতরণ করে। সাগরকান্দি বাজারের ডিলার ইউসুফ আলীর কাছ থেকে ১শ ৫০ খানা ভোক্তা কার্ড উপ-পরিদর্শক আফাজ উদ্দিন বুঝিয়া নিয়ে এসে অফিসে জমাদান করেছেন। ডিলার এবিএম নজরুল ইসলাম জানান ১শ ৫০ খানা কার্ড আমার অধিনে না, এ কার্ড সাগরকান্দি বাজারের ডিলারের। এবিএম নজরুল ইসলাম জানান আমার অধিনে ৪শ ভোক্তা পরিবারকে ১০ টাকা কেজি ৩০ দিনে ৩০ কেজি ৩শ টাকায় বিক্রি করেছি। উপজেলা খাদ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত গুদাম কর্মকর্তা শারমিন আক্তার চাল বিক্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। ডিলারগণ কার্ডধারীদের নিকট থেকে বস্তা বাবদ ২০ টাকা অতিরিক্ত আদায় করছে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author