শাহজাদপুর সরকারি বিশ্ব বিদ্যালয় কলেজের একমাত্র ছাত্রাবাসটির বেহাল দশা।

শাহজাদপু প্রতিনিধি ঃ  শাহজাদপুরের ঐতিহ্যবাহী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের একমাত্র ছাত্রাবাসটি (শেরে বাংলা ছাত্রাবাস) অযতœ অবহেলায় ছাত্রদের থাকার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে ঝুকির মধ্যে অবস্থান করছে ছাত্ররা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় দোতলা ভবনটির বিভিন্ন অংশে ফাটল ধরেছে প্লাষ্টার খসে পরায় চরম ঝুকির মধ্যে রয়েছে ছাত্ররা। জানালার গ্লাস না থাকার কারনে একটু বৃষ্টি হলেই রুমগুলোতে পানি প্রবেশ করে। পাঁকা বিল্ডিংয়ে ১৪টি কক্ষ ও টিনসেড বিল্ডিংয়ে তিনটি কক্ষ রয়েছে। ভবনের সবগুলো কক্ষের অবস্থাই একই। প্রতিটি রুমেরই ছাদের প্লাষ্টার খসে পরেছে। যে কোন সময় ছাদ ধ্বশে পরার আশংকা রয়েছে। ৮ টি বাথরুম থাকলেও কোন কোনটিতে দড়জা নেই। সব গুলোই ব্যাবহারের অনুপযোগী। নিরাপত্তার অভাবে পানি তোলার মটরটিও সম্প্রতি চুরি হয়েছে। একটিমাত্র টিউবয়েলের উপড় নির্ভর করছে পানির ব্যাবস্থা। বিল্ডিংটি দীর্ঘদিন মেরামত না করায় এমন অবস্থা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিল্ডিংটির এমন বেহালদশার কারনে আতংকে রয়েছে ছাত্রাবাসে অবস্থানকারী ছাত্ররা। সেখানে অবস্থানকারী ছাত্ররা সাংবাদিককে বলেন আমাদের এখানে রান্নার বাবুর্চি খরচ কলেজ কর্তৃপক্ষের দেয়ার কথা থাকলেও বাবুর্চির অর্ধেক খরচ আমাদের দিতে হয়। সিট প্রতি প্রতি মাসে ৫০০ টাকা দিতে হয়। একজন নিরাপত্তাকর্মী থাকলেও তিনি সেখানে ঠিকমতো ডিউটি করেন না ফলে বহিরাগতরা অবাধে প্রবেশ করে মদক সেবনসহ নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়। আমরা প্রতিবাদ করলেই আমদের নানা হুমকি ধামকি দেওয়া হয় এমনকি মরপিট করার মত ঘটনাও ঘটেছে। তারা আরো বলেন এতবড় একটি ছাত্রাবাসে ছাত্ররা গরমে কষ্ট করলেও কর্তপক্ষ একটি ফ্যানের ব্যাবস্থা করেন না। আমদের লেখাপড়ার খরচের টাকা ব্যায় করে ফ্যানের ব্যাবস্থা করতে হয়েছে। লাইট নষ্ট হয়ে গেলে আমাদের নিজেদের টাকা ব্যায় করে লাইটের ব্যাবস্থা করতে হয়। আমরা খুব অসহায়ভাবে এখানে ঝুকির মধ্যে লেখাপড়া করছি। উক্ত ছাত্রাবাসে অবস্থানকারী ছাত্ররা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এর প্রতিকার চেয়েছে। এ ব্যাপারে, কলেজের অধ্যক্ষ ড. আব্দুস সাত্তার বলেন বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author