বিপুল নামের পুতুল চাইনা , চাইনা

রাশেদ রাজন, রাবি প্রতিনিধি:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নবাব আব্দুল লতিফ হলের হল গেটে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলনের সময় ‘ বিপুলের দুই গালে জুতা মারো তালে তালে, বিপুল নামের পুতুল চাইনা, চাইনা এরকম বিভিন্ন স্লোগানে প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা। শনিবার দুপুর ১ টার পর থেকেই হলে অবস্থানরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি হল শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এই আন্দোলন কর্মসূচীতে অংশ নেয়। দুপুর আড়াইটার দিকে রাবি প্রক্টর লুৎফর রহমান এবং হল প্রাধ্যক্ষ বিপুল কুমার বিশ্বাস ঘটনাস্থলে এসে ছাত্রদের সাথে কথা বলে পরিবেশ শান্ত করেন। পরে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে হল পরিদর্শন করেন লুৎফর রহমান।
আন্দোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা অভিযোগের বুলি ছুড়তে থাকেন, তাদের অভিযোগ ডাইনিংয়ের খাবার এত খারাপ না খেতে চাইলেও অনেক কষ্ট করে খেতে হয় কারণ বাহিরে খাবারের দাম অনেক বেশি। শুধু ডাইনিংয়ের খাবারে সমস্যা তা নয়, পর্যাপ্ত ওয়াই-ফাই পাওয়া যায়না, টয়লেট-গোসল খানার অবস্থা খুবই খারাপ দূর্গন্ধে ভিতরে য্ওায়া যায়না, ডাইনিং রুমে এত বাজে অবস্থা যেন পোকা-মাকড়ের আবাসস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কোন নাম নাই। ড্রেন গুলো ময়লা-আর্বজনায় জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা আরো জানান, এ বিষয়ে বেশ কয়েক বার প্রাধ্যক্ষ স্যারকে তারা জানিয়েছেন, লিখিত ভাবে আবেদন করেছেন তব্ওু যেনো উদাসীন প্রাধ্যক্ষ স্যার। এর জন্য তাদের অনেকটাই বাধ্য হতে হয়েছে আন্দোলনে নামতে ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হল প্রাধ্যক্ষ বিপুল কুমার বিশ্বাস কোন কথা বলতে রাজি হননি।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে প্রক্টর বলেন, আমি এসে আন্দোলন থামাই এবং পুরো হল পরিদর্শন করি। হলের অবস্থা আসল্ওে অনেক খারাপ এ বিষয়ে উপাচার্যের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা ন্ওেয়া হবে। পরিস্থিতি এখন শান্ত।
আন্দোলনরত অবস্থায় হলের শিক্ষার্থীরা প্রাধ্যক্ষ বরাবর, রিডিং রুম, টিভি রুমের সংস্কার, ডাস্টবিনের ব্যবস্থা করা, পর্যাপ্ত টিউবয়েলের ব্যবস্থা করা, গোসল খান ও গণশৌচাগার মেরামত কারা সহ ১২ দফা দাবি তুলে ধরেন।
প্রসঙ্গত, আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীরা হলের ডাইনিং রুমের আসবাবপত্রসহ তিনটা বেসিন ভাংচুর করে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author