২য় দিনেও যাত্রীদের দূর্ভোগ চরমে টোল আদায়ের প্রতিবাদে চাটমোহর-পাবনা রুটে সিএনজি ধর্মঘট২য় দিনেও যাত্রীদের দূর্ভোগ চরমে টোল আদায়ের প্রতিবাদে চাটমোহর-পাবনা রুটে সিএনজি ধর্মঘট

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি ঃ পাবনার চাটমোহর ও আটঘরিয়া পৌরসভা কর্তৃক অবৈধভাবে টোল আদায়ের প্রতিবাদে পাবনা-চাটমোহর রুটে অনিদিষ্টকালের সিএনজি ধর্মঘট শুরু করেছে মালিক-শ্রমিক সমিতি। বুধবার সকাল থেকে পাবনা-চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর রুটে সিএনজি অটোরিকশা চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। এদিকে হঠাৎ করেই এই ধর্মঘট ডাকায় বিপাকে পড়েছেন এসব যানবাহনের যাত্রীরা। বাধ্য হয়ে অটোবাইক, অটোভ্যানে বেশি ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করছেন অনেকে। সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন এসব রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কয়েকজন সিএনজি চালক জানান, চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর ও আটঘরিয়ায় সিএনজির জন্য কোনো স্ট্যান্ড নেই। রাস্তার পাশে বা বিভিন্ন দোকানের সামনে গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখতে হয়। কোন রকম সুবিধা না দিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন পয়েন্ট ইজারা দিয়ে টোল আদায় করছে। এরআগে এর প্রতিবাদ করায় কিছুদিন বন্ধ থাকলেও গত পহেলা বৈশাখ থেকে আবারও লোকজন দিয়ে অবৈধভাবে ১০টাকা করে টোল আদায় শুরু করছে। টাকা না দিলে চালকদের অনেক সময় মারধর করা হয়।

পাবনা জেলা সিএনজি চালিত অটোরিকশা, ট্যাক্সিক্যাব/অটোরিকশা যৌথ মালিক সমিতির সভাপতি আব্বাস আলী বলেন, চাটমোহর ও আটঘরিয়া পৌর কর্তৃপক্ষ সরকারি কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করে আসছে চালকদের কাছ থেকে। এর প্রতিবাদে পাবনা থেকে আটঘরিয়া, চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর রুটে সিএনজি অটোরিকশা চালানো বন্ধ করে দিয়েছেন চালক শ্রমিকরা। আমরা বিষয়টি নিয়ে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সাথে কথা বলে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। ওইসব এলাকায় অবৈধ চাঁদা বন্ধ না করা পর্যন্ত সিএনজি অটোরিকশা চলাচল বন্ধ থাকবে।

এ ব্যাপারে চাটমোহর পৌরসভার মেয়র মির্জা রেজাউল করিম দুলাল জানান, পৌরসভার আয় বৃদ্ধির জন্য নিয়মনীতি মেনে টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইজারা দিয়ে সরকারের রাজস্ব খাতে টাকা জমা করা হয়। তবে চাঁদার বিষয়টি জানা ছিল না। খোঁজ খবর নিয়ে এ ব্যাপারে অতিসত্ত্বর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, লিখিত অভিযোগ পাবার পর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে আটঘরিয়া পৌরসভায় টোল আদায় বন্ধ করা হয়েছে। চাটমোহর পৌরসভার বিষয়ে আলোচনা চলছে। আশা করি সেখানেও টোল আদায় বন্ধ হবে এবং সিএনজি অটোরিক্সা চলাচল শুরু হবে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author