ঈশ্বরদী পৌরসভার প্যানেল মেয়র শিমুলের পরকীয়ার ঘটনায় শহর জুড়ে তোলপাড় !

পাবনার ঈশ্বরদী পৌরসভার ১নং প্যানেল মেয়র সাঈদ হাসান শিমুলের পরকীয়ার ঘটনা নিয়ে শহর জুড়ে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে ঈশ্বরদী ও পাবনার বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। বিষয়টি এখন ‘টক অব দি টাউনে’ পরিনত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, গত ১৩ মে রোববার রাতে ঈশ্বরদী শহরের ফকিরের বটতলা এলাকার একটি দোতলা বাড়িতে অসামাজিক কার্যকলাপের সময় ঈশ্বরদী পৌরসভার ১নং প্যানেল মেয়র ও ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাঈদ হাসান শিমুল শিমুলকে তার স্ত্রী ও মেয়ের সহায়তায় স্থানীয় জনতা হাতে নাতে ধরে ফেলেন। এতে শহর জুড়ে নিন্দার ঝড় উঠে। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত এলাকাবাসী, সাংবাদিক ও পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। মুহুর্তের মধ্যেই সেই খবর গোটা শহর ছড়িয়ে পড়ে। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেও তারা রহস্যজনক কারণে নিরব ভূমিকা পালন করে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি সংবাদ মাধ্যমে না আসায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও নানা রকম বিরূপ মন্তব্য করেন এলাকাবাসী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানায়, ঈশ্বরদী শহরের ফকিরের বটতলা এলাকার একটি দোতলা বাড়িতে জনৈক বেবী নামের এক মহিলা বসবাস করতো। তার সাথে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের সুত্র ধরেই সেই বাড়িতে প্রায় দুই বছর ধরে যাতায়াত করতেন ঈশ্বরদী পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাঈদ হাসান শিমুল। শিমুলের ওই বাড়িতে নিয়মিত যাওয়া নিয়ে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। এলাকাবাসী পরকীয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হলেও জনপ্রতিনিধি হওয়ায় তারা বিষয়টি চেপে থাকেন। এলাকাবাসী জানায়, কাউন্সিলর শিমূল প্রতিদিন সন্ধ্যার সময় ওই বাড়িতে আসতেন এবং দীর্ঘ সময় অবস্থান করতেন। এই বিষয়টি শিমুলের স্ত্রী শিখা ও মেয়ে ঐশি জানার পর তারা তাকে নিষেধ করে। এতেও শিমূল তা কর্নপাত না করে ওই বাড়িতে যাতায়াত অব্যাহত রাখে। এ নিয়ে শিমুলের সঙ্গে তার স্ত্রী-মেয়ের চরম বিরোধ এবং অশান্তির সৃষ্টি হয়। ঘটনার এক সপ্তাহ আগে ওই বাড়িতে কাউন্সিলর শিমুলের মেয়ে ঐশি এসে তার বাবা ও ওই মহিলাকে শাসিয়ে যান। ঘটনার দিন রাত ৯টা সময় কাউন্সিলর শিমুল আবারও ওই বাড়িতে এসে অবস্থান নিলে তার স্ত্রী ও মেয়ে স্থানীয় ২০/৩০ জন যুবক কে সঙ্গে নিয়ে হাতে-নাতে আটক করে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে কয়েক’শ এলাকাবাসী, দুইজন কাউন্সিলর, বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ও পুলিশ উপস্থিত হন। প্রায় দুই ঘন্টা হট্টগোল চললেও পুলিশ রহস্যজনক কারণে নিরব ভুমিকা পালন করে। এক পর্যায়ে কৌশলে কাউন্সিলর শিমুল কে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। মুহুর্তের মধ্যেই ঘটনাটি ব্যাপক ভাবে প্রচার হয়ে গেলে কাউন্সিলর শিমুলের বিরুদ্ধে নিন্দার ঝড় উঠে।
এ বিষয়ে সেখানে উপস্থিতসহ একাধিক কাউন্সিলর জানান, ঘটনাটি তাদের জন্য চরম লজ্জাকর। তারা ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। এলাকাবাসী জানান, একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে এ রকম ন্যাক্কার জনক ঘটনার জন্ম দিবে তা আমরা প্রত্যাশা করিনি। আর পুলিশ এতো বড় একটি ঘটনায় কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করে এড়িয়ে যাওয়ায় জনগনের মনে পুলিশের বিরুদ্ধে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
সাঈদ হাসান শিমুলের স্ত্রী স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিখা খাতুন বার্তা সংস্থা পিপ‘কে বলেন, তার স্বামী ঐ মহিলার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া করে আসছে। এ ঘটনায় এলাকার মানুষের কাছে মুখ দেখাতে পারছিনা। প্যানেল মেয়র -১ সাঈদ হাসান শিমুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বার্তা সংস্থা পিপ‘কে বলেন, প্রতিপক্ষরা তার স্ত্রী ও মেয়ে তাকে ভুলবুঝিয়ে প্রথমে এ রকম প্রচার চালায়। পরে তারা বুঝতে পারে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। সেখানে মানুষের নানা ধরণের সমস্যা থাকে। ঐ মহিলার সমস্যা শোনার জন্য তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। এর বেশী কিছু না।
এ ব্যাপারে ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. আজিমুদ্দিন বার্তা সংস্থা পিপ‘কে বলেন, ‘বিষয়টি তিনি বাই দা বাই শুনেছেন’। তবে কেউ অভিযোগ না করায় কোন ব্যবস্থা নিতে পারেননি।পাবনার ঈশ্বরদী পৌরসভার ১নং প্যানেল মেয়র সাঈদ হাসান শিমুলের পরকীয়ার ঘটনা নিয়ে শহর জুড়ে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে ঈশ্বরদী ও পাবনার বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। বিষয়টি এখন ‘টক অব দি টাউনে’ পরিনত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, গত ১৩ মে রোববার রাতে ঈশ্বরদী শহরের ফকিরের বটতলা এলাকার একটি দোতলা বাড়িতে অসামাজিক কার্যকলাপের সময় ঈশ্বরদী পৌরসভার ১নং প্যানেল মেয়র ও ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাঈদ হাসান শিমুল শিমুলকে তার স্ত্রী ও মেয়ের সহায়তায় স্থানীয় জনতা হাতে নাতে ধরে ফেলেন। এতে শহর জুড়ে নিন্দার ঝড় উঠে। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত এলাকাবাসী, সাংবাদিক ও পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। মুহুর্তের মধ্যেই সেই খবর গোটা শহর ছড়িয়ে পড়ে। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেও তারা রহস্যজনক কারণে নিরব ভূমিকা পালন করে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি সংবাদ মাধ্যমে না আসায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও নানা রকম বিরূপ মন্তব্য করেন এলাকাবাসী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানায়, ঈশ্বরদী শহরের ফকিরের বটতলা এলাকার একটি দোতলা বাড়িতে জনৈক বেবী নামের এক মহিলা বসবাস করতো। তার সাথে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের সুত্র ধরেই সেই বাড়িতে প্রায় দুই বছর ধরে যাতায়াত করতেন ঈশ্বরদী পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাঈদ হাসান শিমুল। শিমুলের ওই বাড়িতে নিয়মিত যাওয়া নিয়ে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। এলাকাবাসী পরকীয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হলেও জনপ্রতিনিধি হওয়ায় তারা বিষয়টি চেপে থাকেন। এলাকাবাসী জানায়, কাউন্সিলর শিমূল প্রতিদিন সন্ধ্যার সময় ওই বাড়িতে আসতেন এবং দীর্ঘ সময় অবস্থান করতেন। এই বিষয়টি শিমুলের স্ত্রী শিখা ও মেয়ে ঐশি জানার পর তারা তাকে নিষেধ করে। এতেও শিমূল তা কর্নপাত না করে ওই বাড়িতে যাতায়াত অব্যাহত রাখে। এ নিয়ে শিমুলের সঙ্গে তার স্ত্রী-মেয়ের চরম বিরোধ এবং অশান্তির সৃষ্টি হয়। ঘটনার এক সপ্তাহ আগে ওই বাড়িতে কাউন্সিলর শিমুলের মেয়ে ঐশি এসে তার বাবা ও ওই মহিলাকে শাসিয়ে যান। ঘটনার দিন রাত ৯টা সময় কাউন্সিলর শিমুল আবারও ওই বাড়িতে এসে অবস্থান নিলে তার স্ত্রী ও মেয়ে স্থানীয় ২০/৩০ জন যুবক কে সঙ্গে নিয়ে হাতে-নাতে আটক করে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে কয়েক’শ এলাকাবাসী, দুইজন কাউন্সিলর, বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ও পুলিশ উপস্থিত হন। প্রায় দুই ঘন্টা হট্টগোল চললেও পুলিশ রহস্যজনক কারণে নিরব ভুমিকা পালন করে। এক পর্যায়ে কৌশলে কাউন্সিলর শিমুল কে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। মুহুর্তের মধ্যেই ঘটনাটি ব্যাপক ভাবে প্রচার হয়ে গেলে কাউন্সিলর শিমুলের বিরুদ্ধে নিন্দার ঝড় উঠে।
এ বিষয়ে সেখানে উপস্থিতসহ একাধিক কাউন্সিলর জানান, ঘটনাটি তাদের জন্য চরম লজ্জাকর। তারা ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। এলাকাবাসী জানান, একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে এ রকম ন্যাক্কার জনক ঘটনার জন্ম দিবে তা আমরা প্রত্যাশা করিনি। আর পুলিশ এতো বড় একটি ঘটনায় কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করে এড়িয়ে যাওয়ায় জনগনের মনে পুলিশের বিরুদ্ধে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
সাঈদ হাসান শিমুলের স্ত্রী স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিখা খাতুন বার্তা সংস্থা পিপ‘কে বলেন, তার স্বামী ঐ মহিলার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া করে আসছে। এ ঘটনায় এলাকার মানুষের কাছে মুখ দেখাতে পারছিনা। প্যানেল মেয়র -১ সাঈদ হাসান শিমুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বার্তা সংস্থা পিপ‘কে বলেন, প্রতিপক্ষরা তার স্ত্রী ও মেয়ে তাকে ভুলবুঝিয়ে প্রথমে এ রকম প্রচার চালায়। পরে তারা বুঝতে পারে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। সেখানে মানুষের নানা ধরণের সমস্যা থাকে। ঐ মহিলার সমস্যা শোনার জন্য তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। এর বেশী কিছু না।
এ ব্যাপারে ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. আজিমুদ্দিন বার্তা সংস্থা পিপ‘কে বলেন, ‘বিষয়টি তিনি বাই দা বাই শুনেছেন’। তবে কেউ অভিযোগ না করায় কোন ব্যবস্থা নিতে পারেননি।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author