বড়াইগ্রামে অবশেষে স্ত্রীর মর্যাদা পেল অনশনরত প্রেমিকা

বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি
বড়াইগ্রামের খিদরী আটাই গ্রামে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন ধর্মঘটের দুই দিন পর অবশেষে স্ত্রীর মর্যাদা পেলো প্রেমিকা সাথী খাতুন (১৮)। সোমবার মেয়ের বাবা শহীদুল ইসলাম ও ছেলের বাবা আফসার আলী বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, গত শুক্রবার উপজেলার নটাবাড়ীয়া গ্রামের শহীদুল ইসলামের মেয়ে সাথী আক্তার (১৮) খিদরি আটাই গ্রামে বিয়ের দাবীতে তার প্রেমিক গোপালগঞ্জ পলিটেকনিক কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সোহেলের বাড়িতে গিয়ে অনশন ধর্মঘট শুরু করে। এ সময় প্রেমিক সোহেল বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে গ্রামের লোকজন বিষয়টি নগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ইয়াসিন আলী সরকারসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে জানান। তারা বিষয়টি মিমাংসার উদ্যোগ নিলে দুদিন পর প্রেমিক সোহেলের পিতা আফসার আলীসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা বিভিন্ন রকম ছবিসহ প্রেমের সত্যতা পেয়ে সাথীর দাবী মেনে নেন। পরে প্রেমিক সোহেলকে ডেকে এনে শনিবার রাত ১০টা দিকে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে কাজী ডেকে তাদের বিয়ে পড়িয়ে দেয়া হয়। সোমবার এ ব্যাপারে ছেলের বাড়িতে অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে মেয়ের বাবা শহীদুল ইসলাম জানান, আমার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের বিষয়টি প্রমাণ পেয়ে সোহেলের পরিবার ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা আমরা মেনে নিয়েছি।
নগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ইয়াসিন আলী মোবাইলে জানান, দুইদিন অনশনের পর মেয়েটির দাবী মেনে হয়ে উভয় পক্ষ উপস্থিত থেকে বিয়ের কাজ সমাধা করা হয়েছে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author