গাজীপুরের নগর পিতা জাহাঙ্গীর আলম

চার লাখ ১০ ভোট পেয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশন মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম। অপরদিকে বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার পেয়েছেন এক লাখ ৯৭ হাজার ৬১১ ভোট।

বুধবার সকাল ৯টায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বে থাকা রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিবউদ্দিন মন্ডল এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, ৪২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯টি কেন্দ্র স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ৪১৬টি কেন্দ্রের ফলাফল ইতোমধ্যে আমাদের হাতে পৌঁছেছে। সকল তথ্য অনুযায়ী আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম দুই লাখ দুই হাজার ৩৯৯ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এরপর শুরু হয় গণনা।
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাতজন। তারা হলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম (নৌকা), বিএনপি মো. হাসান উদ্দিন সরকার (ধানের শীষ), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাজী মো. রুহুল আমিন (কাস্তে), ইসলামী ঐক্যজোটের ফজলুর রহমান (মিনার), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নাসির উদ্দিন (হাতপাখা), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. জালাল উদ্দিন (মোমবাতি) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদ আহমদ (টেবিল ঘড়ি)।

গাজীপুরে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলেও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। ভোট চলাকালীন বিএনপি ও আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের জের ধরে ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের মির্জা ইব্রাহিম হাইস্কুল কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের লাঘালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রের সামনে ধানের শীষের বুথে পুলিশি হামলা হয়েছে বলে দাবি করে বিএনপির কর্মীরা।

অপরদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফল যাই হোক তা মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম।

দেশের সবচেয়ে বড় সিটি গাজীপুরে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৯৩৫ জন ও নারী ভোটার ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮০১ জন। এ সিটিতে এবার নতুন ভোটার একলাখ ১১ হাজার। এ ছাড়া, শ্রমিক ভোটার দুই লাখের বেশি। সিটির ৫৭টি ওয়ার্ডের ৪২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৩৭টিকে ঝুঁকিপূর্ণ ও ৮৮টিকে সাধারণ চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে ছয়টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হয়।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author