গ্রামে নগর সুবিধা দেয়া হবে – পাবনায় প্রধানমন্ত্রী

রফিকুল ইসলাম সুইট : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাবনাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলেধরে বলেছেন- ২০১৪ সালে বাংলার মানুষ নৌকায় ভোট দিয়েছিলেন বলে বাংলার মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম ফলে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন করা সম্ভব হয়েছে। আমাদের কাছে চাইতে হবে না, আওয়ামী লীগ জানে মানুষের কিভাবে উন্নয়ন হবে। এই বছরের ডিসেম্বরেই ইলেকশন হবে। আগামী নির্বাচনে আপনারা যদি নৌকায় ভোট দেন তাহলে ক্ষমতায় আসব, আপনাদের আরোও সেবা করার সুযোগ পাব।এই ডিসেম্বরের ইলেকশনে আপনারা যদি নৌকা মার্কায় ভোট দেন এবং আওয়ামী লীগ যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে প্রতিটি গ্রামকে নগরের মতো উন্নয়ন করে দেব। গ্রামে নগর সুবিধা দেয়া হবে।
শনিবার বিকালে পাবনা পুলিশ লাইনস মাঠে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিশাল জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপি-জামায়াতের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালে নির্বাচন ঠেকানোর নামেহাজার হাজার মানুষকে পুরিয়েছে,লক্ষ লক্ষ গাছ কেটেছে, বাস, ট্রেন, সরকারি অফিস পুরিয়েছে। এরা দেশকে ধ্বংস করতে জানে, দেশকে কিছু দিতে জানে না। আপনারা জানেন, এতিমের টাকা মেরে খাওয়ার বিষয়ে কোরআন শরীফেও নিষেধ আছে। কিন্তু খালেদা জিয়া এতিমের টাকা এতিমকে দেয় নাই। নিজে আত্মসাৎ করতে গিয়ে ধরা পড়েছে। আজকে জেল খাটছে। আমরা আটক করি নাই। বিএনপি-জামাযাত জানে হত্যা, ধর্ষণ আগুন দিতে। আমরা তো প্রতিশোধ নিতে যাইনি। আমরা প্রতিটা সময় কাজে লাগিয়েছি মানুষের উন্নয়নের জন্য।
এছাড়া অভিভাবক-শিক্ষক-আলেম-ওলামা ও সমাজের সচেতন মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মুক্ত দেশ গড়তে চায়। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদককের বিরুদ্ধে আমরা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। আপনাদের কাছে সহযোগিতা চাই। সকলের কাছে আমার আবেদন থাকবে যুবসমাজকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদক থেকে দুরে রাখতে।
জনসভায় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৪ লক্ষ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট দেয়া হয়েছে। ১শটি অর্থনৈতিক জন গড়ে তুলা হচ্ছে।৪০ লক্ষ মানুষের ভাতা, ১৪ লক্ষ স্বামী পরিত্যক্ত ভাতা, ১ কোটি ৪০ লক্ষ শিক্ষার্থীর বৃত্তি, বছরের প্রথম দিনেই নতুন বই, চিকিৎসা সেবা, আশ্রয়ন প্রকল্প, একটি বাড়ী একটি খামারসহ প্রচুর উন্নয়ন প্রকল্প চলছে। নৌকায় ভোট দেয়ায় আপনারা এই উপহার পেয়েছেন। নৌকা চিরদিনই দেয়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে দেশের উন্নয়ন হয়। আওয়ামী লুটপাট ও নিজেদের ভাগ্য গড়তে ক্ষমতায় আসে না। আওয়ামী লীগ আসে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করতে। যে ওয়াদা আপনাদের কাছে করেছি, সে ওয়াদা আমরা নিশ্চয়ই পূরণ করব। সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী বলেন আমাদেও কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুর রহমান শরীফ ডিলু এমপি’র সভাপতিত্বে এবং সাধারণ গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপি এর পরিচালনায় জনসভার অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, ড. আবদুর রাজ্জাক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা শামসুল হক টুকু এমপি, মকবুল হোসেন এমপি, আজিজুল হক এমপি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল রহিম লাল, এ্যাড. আব্দুল আহাদ বাবু, মোশাররফ হোসেন, সোহেল হাসান শাহীন প্রমুখ।

জনসভায় যোগদানের আগে প্রধানমন্ত্রী ৩১ প্রকল্পের উদ্বোধন আর ১৮টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
এগুলো হলো – ঈশ্বরদী থেকে মাঝগ্রাম হয়ে পাবনা পর্যন্ত রেলওয়ে সেকশনে ট্রেন চলাচল; পাবনা মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাস ও ছাত্রীনিবাস; ঈশ্বরদী থানা ভবন; জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স; সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ, আটঘরিয়া উপজেলার মাঝপাড়া, ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী, সলিমপুর, লক্ষীকুন্ডা, সাঁড়া, পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর এবং চাটমোহর উপজেলার ছাইকোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিস; ফরিদপুর উপজেলায় বড়াল নদীর ওপর ‘নারায়ণপুর সেতু’; ভাঙ্গুড়া উপজেলায় গোমানী নদীর ওপর ‘নৌবাড়িয়া সেতু’; ঈশ্বরদী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স; চাটমোহর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স; সিটি কলেজ, পাবনা এর একাডেমিক ভবন; দেবত্তোর ডিগ্রি কলেজ, আটঘরিয়া এর একাডেমিক ভবন; খিদিরপুর ডিগ্রি কলেজ, আটঘরিয়া এর একাডেমিক ভবন; চাটমোহর মহিলা কলেজ এর একাডেমিক ভবন; বোনকোলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সুজানগর এর একাডেমিক ভবন; সুজানগর মহিলা কলেজ এর একাডেমিক ভবন; শহীদ নুরুল হোসেন ডিগ্রি কলেজ, সাঁথিয়া এর একাডেমিক ভবন; ঈশ্বরদী মহিলা কলেজ এর একাডেমিক ভবন; সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ এর প্রশাসনিক ভবন; ডেঙ্গারগ্রাম ডিগ্রি কলেজ, আটঘরিয়া এর একাডেমিক ভবন; আটঘরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; চাটমোহর উপজেলায় গোমানী নদীর ওপর ‘নিমাইচড়া সেতু’; চাটমোহর উপজেলায় ‘কাটাখাল সেতু’; চাটমোহর উপজেলায় আত্রাই নদীর ওপর ‘আত্রাই সেতু’; সুজানগর উপজেলায় ‘ধোলাইখাল সেতু’; শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা, ভাঙ্গুড়া; শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা, চাটমোহর; শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা, ফরিদপুর; শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা, ঈশ্বরদী; শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা, আটঘরিয়া; শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা, সাঁথিয়া; শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা, সুজানগর উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন করবেন।
এছাড়া তিনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সিগন্যালিংসহ রেললাইন নির্মাণ; জেলা সদরে ১০০০ আসনবিশিষ্ট অডিটোরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হল; সুজানগর উপজেলায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র; আটঘরিয়া উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন; চাটমোহর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস ভবন; বেড়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস ভবন; সুজানগর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস ভবন; জেলা রেজিস্ট্রার অফিস ভবন; পুলিশ লাইন্স মহিলা পুলিশ ব্যারাক ভবন; সুজানগর উপজেলায় সাগরকান্দি ইউনিয়ন ও আটঘরিয়া উপজেলায় হাদল ইউনিয়ন ভূমি অফিস; পাবনা মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল; জেলা শিল্পকলা একাডেমি; সাঁথিয়া টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ; আদর্শ মহিলা কলেজ, পাবনা এর একাডেমিক ভবন; সাঁথিয়া উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন; বেড়া পৌরসভায় উচ্চ জলাধার ও পানি শোধনাগার নির্মাণ; সাঁথিয়া পৌরসভায় উচ্চ জলাধার নির্মাণ; ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট পাবনা জেনারেল হাসপাতালের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ জনসভা ছিল জনসমূদ্র : পাবনার স্মরণকালের বৃহত্তম জনসভা ছিল এটি। জেলা সকল ইউনিট আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছা সেবক লীগ ছাড়াও পাবনার আশেপাশের জেলা থেকে আসছিল দলীয় নেতাকর্মীরা। জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ জনসভা ছিল জনসমূদ্র । তিনটার সময় জনসভার সময় থাকলেও দুপুরের আগেই নেতাকর্মীরা ভরে যায় জনসভাস্থল। দুপুর থেকে জনসভার কার্যক্রম শুরু হয়ে যায়। বেলা সাড়ে ৪টায় জনসভাস্থলে পৌছান শেখ হাসিনা। এদিকে জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে পাবনা পুলিশ লাইন এলাকা। পুলিশ লাইন মাঠ ছাপিয়ে উত্তরে এডওয়ার্ড কলেজ, পুর্বে অনন্ত বাজার, পশ্চিমে সার্টিক হাউজ রোডসহ আশপাশের কয়েক বর্গ কিলোমিটার জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল।
সকাল থেকেই জেলার সকল এলাকায় দেখা গেছে, মিছিলে, স্লোগানে উজ্জীবিত নেতাকর্মীদের স্রোত জনসভাস্থলের দিকে। এসময় নেতাকর্মীদের গায়ে বিভিন্ন রঙের গেঞ্জি, মাথায় টুপি গায়ে দেখা গেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্থানীয় সংসদ সদস্য, মনোনয়ন প্রত্যাশী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনে ছবি সম্বলিত পোস্টার ও ব্যানারে ছেয়ে গিয়েছিল জনসভাস্থলের আশপাশ এলাকা।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী পাবনা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের ফার্স্ট কংক্রিট ঢালাইয়ের (এফসিপি) কাজ উদ্বোধন করেন।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজের দ্বিতীয় পর্যায়ের ঢালাইয়ের কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
রফিকুল ইসলাম সুইট : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার দুপুরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ‘রিঅ্যাক্টর বিল্ডিং (উৎপাদন কেন্দ্র)’ নির্মাণ কাজের দ্বিতীয় পর্যায়ের ঢালাইয়ের কাজ উদ্বোধন করেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেজ ওসমান এর সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- রাশিয়ান ফেডারেশনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইউরি ইভানোভিচ বরিসভ, রোসাটম-এর প্রথম মহাপরিচালক ল্যাক্সিন আলেকজান্দার, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি কমিশন (আইএই)-র পরিচালক দহি হ্যান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, মন্ত্রী পরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সদস্যবৃন্দ এবং এনার্জী রেগুলেটরী কতৃর্পক্ষের সদস্যবৃন্দ, ভারত থেকে আগত জ্যেষ্ঠ পরমাণু বিষয়ক কর্মকর্তাবৃন্দ, তিন বাহিনী প্রধানগণ এবং পদস্থ সামরিক এবং বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে পুরো প্রকল্পটি তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের যাত্রায় এই পারমাণবিক কিদ্যুৎ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সরকার দেশের প্রত্যেকটি মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এটি নির্মাণে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার গাইডলাইন এবং আন্তর্জাতিক মান অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হচ্ছে। রাশিয়ার সর্বশেষ জেনারেশন থ্রি প্লাস প্রযুক্তির রিঅ্যাক্টর দিয়ে তৈরি হচ্ছে এই কেন্দ্র। ২০২৩-২৪ সাল নাগাদ এ কেন্দ্রের দু’টি ইউনিট থেকে মোট ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ।

প্রধানমন্ত্রী এ প্রকল্পে সহযোগিতার জন্য এ সময় রুশ সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প ছিল জাতির পিতার স্বপ্নের প্রকল্প উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে আমরা আবার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করি। বন্ধুরাষ্ট্র রাশিয়া এটি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনেও রাশিয়া ও ভারত সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমি কৃতজ্ঞচিত্তে তাঁদের অবদানের কথা স্মরণ করছি।

বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১৮ হাজার ৩৫৩ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। সুবিধার আওতায় এসেছেন ৯০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল তৈরির জন্য, ‘ইতোমধ্যে জনবল নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং তাদের ভারত ও রাশান ফেডারেশনে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শুধু পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নয়, স্যাটেলাইট পরিচালনার জন্যও আমরা নিজস্ব জনবল তৈরি করছি।’

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author