‘শোষণ ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু ছিলেন অবিচল’

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বাঙালি জাতির অধিকার প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। বঙ্গবন্ধু ছিলেন আপোষহীন। অন্যায়ের কাছে কখনই মাথানত করেননি। বাঙালির অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে তথা শোষণ, বৈষম্য, দারিদ্র্যও ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু ছিলেন অবিচল।

আজ রবিবার রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে শৈশব থেকেই টুঙ্গিপাড়ার তরুণ খোকা ছিলেন অকুতোভয়। বঙ্গবন্ধুর এক আঙ্গুলির হেলনে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে বাংলার আপামর জনতা রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাঙ্গালি জাতি ছিনিয়ে এনেছিল স্বাধীনতার লাল সূর্য।

শিরীন শারমিন বলেন, আইয়ুবশাহী, ইয়াহিয়ার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে শোষণহীন ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু ছিলেন অবিচল ও আপসহীন। ফাঁসির মঞ্চ তৈরি করেও তাকে অবদমিত করা যায়নি। এর মাঝে ফুটে ওঠে বঙ্গবন্ধুর প্রতিবাদী সত্তা।

স্পিকার বলেন, তাইতো তিনি (বঙ্গবন্ধু) বলেছিলেন, ‘ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও আমি বলব- আমি বাঙালি, বাংলা আমার দেশ, বাংলা আমার ভাষা।’

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে প্রবেশ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জনগণের সমর্থন নিয়ে অর্থনৈতিক মুক্তির মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author