স্কুল ফাঁকি দেয়ার সংবাদ প্রকাশে ক্ষুদ্ধ হয়ে সাংবাদিককে নিয়ে বিব্রতকর স্ট্যাটাস দিলেন শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় দিনের পর দিন স্কুল ফাঁকি দেয়া ও তথ্য গোপন করে দু’টি প্রতিষ্ঠানের প্রধানের দায়িত্ব পালন করার বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় সাংবাদিকের ওপর প্রচন্ড ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিককে নিয়ে ফেসবুকে বিব্রতকর স্ট্যাটাস দিয়েছেন অভিযুক্ত এক শিক্ষক। অভিযুক্ত ওই শিক্ষক উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের দিলপাশার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও ফরিদপুর উপজেলার বেড়হাউলিয়া গ্রামে অবস্থিত টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ আবুল হাসান সিদ্দিকী ওরফে হেলাল খান। জানা যায়, জেলার ফরিদপুর উপজেলার বেড়হাউলিয়া গ্রামে অবস্থিত টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজে ২০০৪ সাল থেকে অধ্যক্ষের দায়িত্ব থাকার কথা গোপন করে ২০১০ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরী নেন ওই শিক্ষক। পরবর্তীতে ওই শিক্ষক সরকারি চাকুরী বিধিমালা অমান্য করে একটি চাকুরী থেকে অব্যাহতি না দিয়ে গোপনে দুটি প্রতিষ্ঠানে একই সাথে কর্মরত থাকেন। অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ওই শিক্ষক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত হাজিরা না দিলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও অভিভাবকরা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেন। কিন্তু প্রশাসন এ বিষয়ে নিশ্চুপ থাকলে তারা স্থানীয় সাংবাদিকদের বিষয়টি অবগত করেন। একপর্যায়ে ওই শিক্ষক চলতি সপ্তাহে পরপর তিন দিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলে সে বিষয়ে গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করেন সাংবাদিকরা। এতে অভিযুক্ত শিক্ষক বিক্ষুদ্ধ হয়ে দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার প্রতিনিধি ও অনাবিল সংবাদের সহযোগী সম্পাদক মাসুদ রানা এবং দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার প্রতিনিধি ও অনাবিল সংবাদের বার্তা সম্পাদক মনিরুজ্জামান ফারুককে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ন ও বিব্রতকর স্ট্যাটাস দেয়। স্ট্যাটাসের ঘটনায় ওই সাংবাদিকদ্বয় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। এদিকে স্থানীয় সাংবাদিকরা এঘটনায় অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

ফটো ক্যাপসান:অভিযুক্ত হেলাল খান

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author