এদিক ওদিক হলেই দুর্ঘটনা

মোঃ নূরুল ইসলাম, চাটমোহর (পাবনা) ঃ
এদিক ওদিক হলেই পা-পিছলে যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। বিকল্প রাস্তা না থাকায় কাঠেঁর পাটাতনের সাঁকোই একমাত্র ভরসা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ সাঁকো পার হতে হয় স্কুলগামী কোমলমতি শিশুসহ পথচারীদের। দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও ব্রিজ নির্মাণের কোন পদক্ষেপ নেই সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের। জনদুর্ভোগ ও জীবনের ঝুঁকি এড়াতে দ্রুত ব্রিজ নির্মাণের দাবি ভুক্তভোগীদের। এলাকাবাসীর উদ্যোগে তৈরি করা কাঠেঁর সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলতে হচ্ছে কয়েক হাজার মানুষের। সরু কাঁঠের সেতু দিয়ে পার হতে গিয়ে দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা। চাটমোহর-মির্জাপুরের মানুষ প্রতিদিন এ পথে চলাচল করছে। কিন্তু এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন মাথা ব্যাথা নেই। এলাকাবাসীর অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে তারা বিভিন্ন দপ্তরে পৈলানপুর সেতু নির্মাণের জন্য ধরনা দিলেও কোন কাজ হচ্ছে না। নতুন বাজার খেয়াঘাট পৌরসভার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার যেখান থেকে সিএনজি, অটভ্যান, অটরিক্্রা, বোরাখ, মটরসাইকেল যানবাহনগুলো মিনি বিশ্বরোড ধরে চলে গেছে জাবরকোল, পৈলানপুর, জালেশ্বর, নুননগর, মির্জাপুর, হান্ডিয়াল দিয়ে বিশ্বরোডে। অন্য কোন চলাচলের রাস্তা না থাকায় উপজেলা শহরের সাথে সংযোগরক্ষাকারী অনিরাপদ কাঁঠের পাটাতন ওপর দিয়ে প্রতিদিন মালামাল বোঝাই ও যাত্রীবাহী যানবাহন রিক্্রা, সাইকেলসহ অসুস্থ্য রোগী চলাচল করে। পথচারীদের সতর্কতার সাথে পার হতে হয় সাঁকো। ইতিপূর্বে সাইকেল, মোটরসাইকেল, ভুটভুডি উল্টে যাত্রীদের হাত-পা ভাঙ্গার খবরও পাওয়া গেছে। পথচারী ও যানবাহন কারীদের কাছে এটি যেন একটি মরণ ফাঁদ। একটু অসাবধনতা হলেই যেকোন সময় যানবাহন উল্টে গিয়ে ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকে রক্ষা পেতে দ্রুত সাঁকোর জায়গায় ব্রিজ নির্মাণ দাবি ভুক্তভোগীদের। বিলচলন ইউনিয়ন পৈলানপুর গ্রামের সোবাহান আলী জানান, কাঁঠের সাঁকো দিয়ে যেতে খুব কষ্ট হয়। ছেলে-মেয়েদের স্কুলে পাঠাতেও ভয় করে। ওই সাঁকোর পথ দিয়ে যেতে যদি পরে যায়। পরে গেলে পানি থেকে তুলতে তুলতেই মারা যাবে। এলাকাবাসীর দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে ব্রিজটি অতিতারাতারি নির্মাণ করা দরকার।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author