চলনবিলাঞ্চলের বড়াল নদী পানি শূণ্য

মোঃ নূরুল ইসলাম, চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি ঃ
চলনবিলাঞ্চলের এক সময়ের খর¯্রােতা নদী ‘বড়াল’ । ধীরে,ধীরে সংকুচিত হয়ে নদীটি এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। নদীর তলদেশে চাষ করা হচ্ছে বিভিন্ন ফসলের ।

এ নদীটি রাজশাহীর চারঘাট, বাঘা, নাটোরের বাগাতিপাড়া, বড়াইগ্রাম, পাবনার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর উপজেলার মধ্য দিয়ে বাঘাবাড়ী হয়ে হুড়া সাগরে মিশে যমুনা নদীতে মিলিত হয়েছে।
জানা গেছে, এ অঞ্চলে ফসল উৎপাদন ও অকাল বন্যার কবল থেকে রক্ষার জন্য বড়াল নদীর উৎপত্তিস্থলে একটি স্লুইসগেট নির্মাণ করা হয়। এ ছাড়াও পরবর্তীতে আটঘড়ি, দহপাড়ায় ও পাবনার চাটমোহরে ক্রসবাঁধ নির্মাণ করা হয়। ফলে দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় পদ্মার পলিযুক্ত পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বড়াল নদীতে বন্ধ থাকায় নব্যতা হ্রাস পেয়েছে ।
এ ছাড়া নদীর দু’পারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়ী-ঘর নির্মাণ করে নদী দখল করে চলেছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। এতে করে নদীটির অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে পড়েছে।

বর্তমানে নদীটি শুকিয়ে যাওয়ায় চলনবিলের ৮ টি উপজেলার মধ্যে নৌ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে । এ অঞ্চলে নদী কেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেমে এসেছে স্থবিরতা।
জানা যায়, সড়ক পথে পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় এখানকার ব্যবসায়ীরা স্বল্প খরচে নৌপথে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও আরিচাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পণ্য পরিবহ করে আসছিল । এখন নৌপথ বন্ধ থাকায় সড়ক পথে অধিক খরচে পণ্য পরিবহন করতে হয়।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author