চাটমোহরে স্কুলের দেয়ালে ‘মৌমাছির হাট’

এক বা একাধিক নয়, গুনে গুনে বড় বড় ২০টি মৌচাক। দূর থেকে দেখলেই গা ছমছম করে ওঠে। মৌমাছির গুনগুন শব্দ ও এলোমেলোভাবে উড়ে চলা যেকোনো মানুষকেই আকর্ষিত করে। গ্রামবাসী কিংবা পথচারী স্কুলটির পাশ দিয়ে যাবার মুহূর্তে দাঁড়িয়ে একনজর দেখেন অবাক দৃষ্টিতে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেয়ালে এতগুলো মৌচাক থাকার পরেও বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীকে একটি মৌমাছিও কামড় দেয় না।

সম্প্রতি সরেজমিন পাবনার চাটমোহর উপজেলা মূলগ্রাম ইউনিয়নের জগতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের পেছনের দেয়ালে বড় বড় বেশ কয়েকটি মৌচাক। বেশ কয়েক বছর ধরেই মৌচাকগুলো এখানে থাকছে। সারা বছর ভবনটিতে মৌচাক থাকলেও শীত মৌসুমের শুরু থেকে বর্ষাকালের শুরু পর্যন্ত সর্বাধিক পরিমাণ মৌমাছি এখানে থাকে। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ স্থানীয় জনসাধারণের চাপে মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহ বন্ধ রেখেছে বলে জানা যায়। একটি ভবনে এতগুলো মৌচাক কেন সে বিষয়ে কেউ কিছু বলতে পারে না।

এ বিষয়ে জগতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, বেশ কয়েক বছর ধরে বিদ্যালয়ের মূল ভবনের পেছন দেয়ালে মৌচাকগুলো লেগে আসছে। ভবনের জানালার পাশে দু-একটি মৌচাক থাকায় বাচ্চারা একটু ভয় পায়। তবে কোনো বাচ্চাকেই কখনও মৌমাছি কামড় দেয় না। এই মৌচাকগুলো থেকে মধু সংগ্রহ করা গত দুই বছর থেকে বন্ধ রেখেছি। লোক দিয়ে মধু সংগ্রহ করতে গেলেই এলাকার অনেকেই এসে মধুর বিষয়ে নানা ধরনের বিব্রতকর কথা বলে। মৌমাছির মধু মৌমাছিই খেয়ে যায়।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author