পাবনায় ধর্ষীতা কুমারী মাতা, সন্তানের পিতার দাবিতে আদালতে দারস্থ

পাবনা প্রতিনিধি ঃকুমারী মেয়েকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করায় কুমারী গর্ভবতী হয়। পুত্র সন্তানের বাবা হাসেন খাঁ ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত দাবী নিয়ে বিচার না পাওয়ায় কুমারী মাতা আদালতে দারস্থ হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে পাবনা জেলার আমিনপুর থানার সৈয়দপুর গ্রামে। ধর্ষীতা কুমারী মাতা রুক্তি খাতুন (১২) এর মাতা মোছাঃ ছনেকা খাতুন বাদী হয়ে আমিনপুর থানায় গত ১২/০৬/১৮ ইং তারিখে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যতন দমন আইনে সংশোধনীয় (০৩) এর ৯ (১) / ১৩ ধারায় একটি মামলা রুজু করেন। বাদী মোছাঃ ছনেকা খাতুনের লিখিত অভিযোগে উল্লেখ যে আমি এক জন গৃহিনী আমার স্বামী সৌদি আরবে চাকুরী করার সুবাদে আমার দুটি মেয়ে সন্তান নিয়ে গ্রামে বসবাস করি। আমার ছোট মেয়ে রুক্তি খাতুন (১২) আমিনপুর থানা ধীর উজানকয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করছে। আমার মেয়ের শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন দেখে কাঁশিনাথপুর মা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে নিয়ে গেলে সেখানে কর্মরত ডা. পাভেল রানা আমার মেয়ে রুক্তি খাতুনকে আল্ট্রান্সোনোগ্রাম করার পর তিনি বলেন আমার মেয়ে রুক্তি খাতুন ৫ মাসের গর্ভবতী। এ ব্যাপারে আমার মেয়ে রুক্তি খতিুনকে জিঙ্গাসাবাদ করলে সে জানায়, ১০/০১/ ২০১৮ ইং তারিখ অনুমান ১২ টার সময় হাসেন খাঁ (৫৫) পিতাঃ মৃত্য জিন্দার খাঁ সাং সৈয়দপুর (ধোপপাড়া) থানা অমিনপুর জেলা পাবনা আমার বাড়ীতে আসে। বাড়ীতে এসে আমাকে একা পেয়ে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে সে জোরপূর্বক আমাকে ধর্ষণ করে। এরপর সে আমাকে শাসিয়ে বলে এ কথা কাউকে বললে সে আমাকে ও আমার মাকে খুন করবে। এ কারণে আমি এ ঘটনা কাউকে বলিনি।
ইতিমধ্যে কুমারী রুক্তি খাতুন এর বাচ্চা জন্ম গ্রহণ করেছে। তার সন্তান আব্দুল্লাহর বয়স ৭ মাস। এ বিষয়ে ডিএনএ পরীক্ষায় সুদৃঢ়ভাবে প্রমানিত হয় যে মোঃ হাচেন খাঁ ওরফে হাসান খাঁ মোছাঃ রুক্তি খাতুনের গর্ভজাত সন্তান মোঃ আব্দুল্লাহর জৈবিক পিতা। ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমানিত হওয়ার পরও হাসেন খাঁ মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এলাকায়। এ মামলার বাদী মোছাঃ ছনেকা খাতুন বলেন আমি মামলা করেছি ১২/০৬/১৮ ইং তারিখে আসামী হাসেন খাঁ এখন জামিনে জেল হাজত থেকে ছাড়া পেয়ে আমাকেসহ আমার মেয়ে রুক্তি খাতুনকে রাতে তুলে নিয়ে যাবে ও হত্যাসহ নানান হুমকি হুমকি দিচ্ছে। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আমিনপুর থানার এস.আই. আশরাফ জানান, আমি তদন্ত শেষে আদালতে মামলাটির চার্জসিট দিয়ে দিয়েছি। এখন আদালতে এর বিচার হবে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author