Main Menu

ভাঙ্গুড়া খাদ্য গুদামের ৫৫৯ বস্তা চাল সিরাজগঞ্জে আটক

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি | :::
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা খাদ্য গুদামের ৫৫৯ বস্তা চাল সহ ৬৬৫ বস্তা চাল সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বারাকান্দি এলাকা থেকে আটক করেছে প্রশাসন। বুধবার গভীর রাতে সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিছুর রহমান অভিযান চালিয়ে এই চাল আটক করে। তবে সেসময় এঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২৮ মে) বিকালে ভাঙ্গুড়া উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা শারমিন আক্তার ২৮৮১৮৩৮ নং ইনভয়েস অর্ডারে ৫৫৯ বস্তা চাল ঠিকাদার আবুল কাশেমের মাধ্যমে একটি ট্রাকে (নং-ডিএমটি-১৬-৩৬৯৭) চাটমোহর উপজেলা খাদ্য গুদামে প্রেরণ করেন। পরদিন চাটমোহর উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মাহবুবা পারভীন চাল বুঝে নিয়ে ভাঙ্গুড়া অফিসকে জানিয়ে দেন। কিন্তু ঠিকাদার আবুল কাশেম চাল গুদামে আনলোড না করে মাহবুবা পারভীনের সাথে যোগসাজশে পাচারের উদ্দেশ্যে চালসহ ট্রাকটি সিরাজগঞ্জে নিয়ে যায়। ঠিকাদার আবুল কাশেমের বাড়ি সিরাজগঞ্জ শহরে। সেখানে সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের একটি গুদামে চাল ট্রাক থেকে আনলোড করা হয়। বুধবার রাতে ওই চাল পার্শ্ববর্তী বারাকান্দি এলাকার জননী রাইস মিলের সামনে বিক্রির সময় সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিছুর রহমান অভিযান চালিয়ে আটক করেন।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানান, ইনভয়েসের মাধ্যমে নির্ধারিত ঠিকাদারকে দিয়ে এক ট্রাক চাল চাটমোহর খাদ্য গুদামে পাঠিয়ে কাগজপত্র বুঝে নেয়া হয়েছে। এরপর চাল কি হয়েছে সেটা জানা নেই তার। তিনি বুধবার রাতে সিরাজগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে তার গুদামের চাল আটকের বিষয়টি শোনেন।

অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে চাটমোহর উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মাহবুবা পারভীন বলেন, ‘ভাঙ্গুড়া থেকে প্রেরিত চাল আমি বুঝে নিয়ে গুদামে সংরক্ষণ করেছি। আটক চালের ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা।’

সিরাজগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মিজানুর রহমান জানান, ভাঙ্গুড়া খাদ্য গুদামের অনুমোদিত চাল চাটমোহর খাদ্য গুদামের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। কিন্তু সেই চাল ঠিকাদার আবুল কাশেম বাহিরে বিক্রির জন্য সিরাজগঞ্জ নিয়ে আসেন। তাই সরকারি চাল পাচারের জন্য ঠিকাদারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



Comments are Closed