Main Menu

বেড়ায় ইউএনও`র হস্থক্ষেপে রাস্তা পেল দেড় শতাধিক সংখ্যালঘু পরিবার

পাবনা প্রতিনিধি:পাবনার বেড়া উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ের (ইউএনও’র) হস্থক্ষেপে দেড় শতাধিক সংখ্যালঘু পরিবারের সেই ‘দেড় ফুট রাস্তা’ সাড়ে চার ফুট হয়েছে। উপজেলার আমিনপুর থানাধীন পুরান ভারেঙ্গা ইউনিয়নের হরিরাথপুর গ্রামের এই ঘটনা ঘটে। উপজেলার পুকুরচালা পাড়া এলাকাবাসীর চলাচলের রাস্তা না রেখে দোকান, গুদাম ও অফিস ঘর নির্মাণ করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছিল স্থানীয় প্রভাবশালীরা। এতে ওই এলাকার সংখ্যালঘু পরিবারসহ প্রায় পাঁচশতাধিক মানুষের যাতায়াতের জায়গা সংকীর্ণ হয়ে চলাচলের অনুপযুগী হয়ে পড়েছিল। গত ১৪ই ফেব্রুয়ারি, দেড় শতাধিক পরিবারের জন্য দেড় ফিট রাস্তা, শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। পরে তা উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। এলাকাবাসী জানান, রাস্তা না রেখে দোকান, গুদামঘর ও অফিস ঘর নির্মাণ করায় বাড়িতে যাতায়াতসহ রিকসা-ভ্যান চলাচলের রাস্তা না থাকায় তারা নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করতে হাট-বাজারে যেতে পারতেন না। যেখান দিয়ে একজন কোনাচ রকমে বের হতে পারলেও কোন আসবাবপত্র অথবা একসাথে একাধিক ব্যক্তি চলাচল করা যায় না। কোন মানুষ অসুস্থ বা মারা গেলে তাকে তিন জন মিলে মাথার উপরে করে এলাকা থেকে বের করতে হয়। তাদের অভিযোগ সবাই বিষয়টি জানলেও মূলত প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না। আমরা বিভিন্ন জায়গায় ধর্ণা দিয়েও কোন সমাধান পাননি। বিভিন্ন যোগাযোগ গন মাধ্যমে খবর প্রকাশের পর বেড়া ইউএনও জায়গার মালিকদের সাথে দফায় দফায় শালিস বৈঠক করে দীর্ঘ পাঁচ মাস শত চেষ্টার পরে রাস্তা পায় সংখ্যা লঘু পরিবারগুলো। সংখ্যালঘু মানিক কুমার শীল বলেন, আমাদের এত দিনের এত বড় সমস্যা ইউএনও মহোদয় সমাধান করে দিয়েছে এজন্য আমরা এমপি, ডিসি, মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যানের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ইউএনও আসিফ আনাম সিদ্দিকী বলেন, ঐ জায়গাটি ব্যাক্তি মালিকানাধীন তাই ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ আইন অনুসারে গণউপদ্রব হিসেবে জনগণের সুবিধার্থে মালিক পক্ষের সাথে আলোচনা করে দু’পাশ থেকে দেড় ফিট করে মোট সাড়ে চার ফিট রাস্তা বের করতে সক্ষম হই। তবে এটা খুব কঠিন একটা কাজ ছিল কাজটা সমাধান হওয়াতে আমি নিজে থেকেই তৃপ্তিবোধ করছি। তবে এটা আমাদের সরকারি দায়িত্বের মধ্যেই পরে।