প্রধান মেনু

যুদ্ধের হুমকি দিলেন পাকিস্তানি প্রেসিডেন্ট

ভারত সরকার জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর থেকে রাতের ঘুম উড়েছে পাকিস্তানের। স্বস্তি পাচ্ছে না দিনেও। তাই থেকে থেকেই একের পর এক হুমকি দিচ্ছে ইসলামাবাদ। এবার পাকিস্তানি প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি ৩৭০ ধারা বিলোপ নিয়ে সরাসরি যুদ্ধের কথা তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ চাই না, কিন্তু ভারত যুদ্ধ করতে চাইলে তাদের কাছে যুদ্ধ করা ছাড়া আর কোনও রাস্তা থাকবে না।’

আজ তক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে আরিফ বলেন, ‘সমগ্র দেশ দেখছে পাকিস্তান কাশ্মীরবাসীর সঙ্গে রয়েছে এবং সবসময় তাদের সঙ্গে থাকতে প্রস্তুত। তিনি এও বলেন, কাশ্মীরবাসীকে সাহায্য থেকে তারা পিছু হটবেন না।’ এবং এই বিষয় নিয়ে পাকিস্তান UNSC-তে যাবেন বলেও জানান আলভি। তাঁর মতে, ‘নিয়ম নীতি ভেঙে জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ করেছে ভারত।’

এদিকে, আমেরিকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত আসাদ মাজিদ খান আশংকা করছেন, কাশ্মীরের পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। সেক্ষেত্রে তাঁর দেশ আফগান সীমান্ত থেকে সেনা সরিয়ে নিয়ে এসে কাশ্মীর সীমান্তে মোতায়েন করবে। আর তেমন হলে তালেবান ও আমেরিকার মধ্যে শান্তি আলোচনা ভেস্তে যেতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। যেখানে ওই দুপক্ষের আলোচনা শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

নিউ ইয়র্ক টাইমসকে সোমবার মাজিদ খান এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, কাশ্মীর ও আফগানিস্তান দুটি আলাদা ইস্যু। তিনি আদৌ এ দুটোকে এক করতে চান না। তার দেশ আমেরিকা ও তালেবানের আলোচনা সফল হোক তা চায়। তা সত্ত্বেও পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতীয় দমন-পীড়ন শুরু হয়েছে।

শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে অধিকৃত কাশ্মীরে যাবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। বুধবার মুজফফরাবাদের অ্যাসেম্বলিতে ভাষণ দিবেন তিনি। পাকিস্তান সংবাদমাধ্য সূত্রে এই খবর পাওয়া গিয়েছে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ১৪ অগস্ট কাশ্মীরের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে স্বাধীনতা দিবস পালনের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেই উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বুধবার সেখানে সফর করবেন। সেদিন অ্যাসেম্বলিতে দাঁড়িয়ে কাশ্মীরের সমস্যা নিয়েই নাকি কথা বলবেন তিনি।

কাশ্মীর থেকে স্পেশাল স্টেটাস তুলে নেওয়ার পর পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটি ১৪ আগস্ট দেশের স্বাধীনতা দিবসে ‘কাশ্মীর সংহতি দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। এছাড়া ১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবসকে ‘কালো দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে পাকিস্তান।

সূত্র: কলকাতা ২৪x৭