Main Menu

ভাঙ্গুড়ায় পনের দিনে ৫ মোটর সাইকেল চুরি ; একটিও উদ্ধার হয়নি

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মোটর সাইকেল চুরি যেন দিনদিন বেড়েই চলেছে। কিছুতেই মোটর সাইকেল মালিকরা তা রোধ করতে পারছেন না। গড়িতে যতই চাবি লাগানো হোকনা কেনে চুরি থেকে যেন রেহাই পাচ্ছেন না এলাকার মোটর সাইকেল মালিকরা।মোটর সাইকেল চুরি হলেও চোররা রয়েছে ধরা ছোয়ার বাহিরে।
খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে,গত পনের দিনের ব্যবধানে ৫ মোটর সাইকেল চুরি হয়েছে। এনিয়ে সুধী মহল জন্ম দিয়েছে নানান ধরণের প্রশ্ন।এতো যত্ন করে তালা দিয়ে গাড়ী রাখা হলেও কিভাবে চোর তা চুরি করে নিয়ে যায় এবং তারা কি এলাকার না বাহিরের?
গত পনের দিনে যে মোটর সাইকেল গুলি চুরি হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ফিরোজ কবিরের আরটিআর গাড়ি। তিনি বাংলাদেশ রেলওয়েতে ভাঙ্গুড়ায় সিগন্যাল মেইনটেইন্সে চাকুরী করেন। পৌরসদরের ভদ্রপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকে। বাসার সামনে রেখে বাসার ভিতরে গেলে কিছু সময় পড়ে এসে আর তার গাড়িটি পায় নি। তার গাড়ি নং পাবনা ল- ১১-৫৩৯৩। অপর দিকে পৌর সদরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হানিফ বাবলুর বাজাজ ডিসকভারি ১২৫ সিসি গাড়ি উত্তর মেন্দা এলাকা থেকে চুরি হয়ে যায়। যার গাড়ি নং পাবনা হ-১২-৪৯৬৭। অপরদিকে সাবেক বিজিবি কর্মকর্তা আইনুল হক এর ডিসকভার ১২৫ সিসি গাড়িটি ভাঙ্গুড়া সরকারি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনের রাস্তা সংলগ্ন বাড়ির পাশ থেকে চুরি হয়। ওষুধ কোম্পানিতে কর্মরত ফিরোজ আহম্মেদ এর ডিসকভার ঢাকা মেট্রো হ-২৬-৯৮৮১ নং গাড়িটি পৌর এলাকার মাস্টার পাড়া মহল্লার হক ভিলার গ্যারেজ থেকে চুরি হয়। আবার উপজেলার রাঙ্গালিয়ার সেলিম হোসেনের সুজুকি এফজেড গাড়িটি তার বাড়ির সামনে রাখা অবস্থায় চুরি হয়ে যায়।তারা সকলেই ভাঙ্গুড়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছেন।
এবিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা জানান, মোটর সাইকেল হারানো মালিকরা থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছেন। আমাদের পুলিশের পক্ষ থেকে ভাঙ্গুড়ার বিভিন্ন পয়েন্টে চেক পোস্ট বাড়ানো হয়েছে।