Main Menu

এমপি আহমদে ফিরোজ কবির হাটছেন বাবার দেখানো পথে

আহমেদ ফিরোজ কবির এমপি কাঁচা বাজার করায় ব্যাস্ত।

পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং সাবেক সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি মরহুম আহমেদ তফিজ উদ্দিনের জেষ্ঠ্য পুত্র পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য, জেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সফল সাবেক সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আহমেদ ফিরোজ কবির তার বাবার দেখানো সাদামাঠা জীবন যাপন করছেন। আহমেদ তফিজ উদ্দিনের রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ১৯৪৮ সালে তৎকালীন মুসলিম ছাত্রলীগে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে। ১৯৫০ সালে তিনি পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ ছাত্র সংসদের এজিএস নির্বাচিত হন। এরপর তিনি আওয়ামীলীগের এসে জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি থাকা সময়েই সুজানগর উপজেলা আ.লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন সময়ে তিনি ভারতের কেচোয়াডাঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ ছিলেন। স্বাধীনতাযুদ্ধ পরবর্তি ১৯৮৫ ও ১৯৯০ সালে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ১৯৭৩ ও ১৯৯৬ সালে জতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি তার দীর্ঘ রাজনৈতিক, সমাজ সেবা, সংসদ সদস্য ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থাকা কালিন সময়ে মাটি ও মানুষের কাছে থেকে, সব সময় তাদের কে বুকে টেনে নিয়ে সুখ-দুখে পাশে ছিলেন। আহমেদ তফিজ উদ্দিন যেমন মাটি ও মানুষের পাশে থেকে জায়গা করে নিয়েছিলেন পাবনা-২ আসনের মানুষের মনের কুঠিরে, ঠিক তেমনি তার সুযোগ্য জৈষ্ঠ্য পুত্র আহমেদ ফিরোজ কবির তারই পথ অনুসরণ করে যাচ্ছেন। পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির এমপি হওয়ার আগে, যেমন নেতাকর্মী, চাকুরীজীবি, ব্যবসায়ী ও প্রান্তিক কৃষক কে দেখলেই তাদের সাথে কুশল বিনিময় করে বুকে জড়িয়ে নিতেন, এখনো আগের মতই বুকে টেনে নেয়। তিনি বিভিন্ন সভা সেমিনারে বলেন আপনাদের যে কোন সমস্যা হোক না কেন, আমার কছে আসবেন, আমার কাছে আসতে আপনাদের কোন নেতা বা আমলা লাগবে না, আপনারা বলবেন আমি শুনবো এবং সমস্যা সমাধানের চেস্টা করবো। তিনি তার নির্বাচনী এলাকায় আসলে পুলিশ সিকিউরিটি ছাড়াই মটর সাইকেল যোগে একা একাই চলা-চল করেন। তিনি তার পরিবারের বাজার থেকে শুরু করে নিজের কাজ গুলো নিজেই করতে অভ্যস্ত। ব্যাস্ততার মাঝেও সময় পেলে এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে বিভিন্ন খেলাধুলা করেন। এমপি ফিরোজ কবির সাদামাঠা জীবনযাপনে এখনো তার বসতবাড়ীর সেই পুরাতন টিনসেট ঘরে বসবাস করছেন।