Main Menu

ভাঙ্গুড়ায় চোর ডাকাতের আতঙ্ক ;গ্রাম পাহারা দিচ্ছে এলাকাবাসী

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় আইনশৃক্সখলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। ফলে চোর ও ডাকাতের আতঙ্কে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে এলাকাবাসী। বর্তমানে প্রতিনিয়ত চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও নানা অসামাজিক কার্যকালাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় এ উপজেলার জনসাধারণ চরম আতঙ্কে দিন যাপন করছে।

গত (১জুন) শুক্রবার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাটুলীপাড়া গ্রামের মোঃ আব্দুলের ছেলে আঃ রউফ আলীর বাড়ি থেকে ভোররাতে অস্ত্ররের মুখে জিম্মি করে ৬টি গরু নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা যার আনুমানিক মূল্য ৬ লক্ষ টাকা,কাশিপুর গ্রামের আবুর ছেলে মোঃ আলিম সরকারের ৪টি গরু যার আনুমানিক মূল্য ৩ লক্ষ টাকা ও পাথরঘাটা গ্রামের মৃত আহসান আলী প্রামানিকের ছেলে আঃ খালেকের ২টি মহিষ রাতের আধারে চুরি করে নিয়ে যায় যার মূল্য ৩ লক্ষ ৫০হাজার টাকা।

এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ৫’টি মোটরসাইকেল ও ছাগল চুরি ও ডাকাতি হয়েছে। তবে বেশ কয়েকটি চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিলেও এখন পর্যন্ত কোন গরু-মহিষ,মোটরসাইকেল উদ্ধার বা এর সাথে সম্পৃক্ত কাউকে ধরতে পারেনি পুলিশ। শুক্রবার রাতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাটুলীপাড়া, রাঙ্গালীয়া, কাশিপুর, ভেড়ামারা, পাথরঘাটা, পার-ভাঙ্গুড়া গ্রামে ও মন্ডুতোষ ইউনিয়নের দিয়ারপাড়াসহ অনেক গ্রামের রাস্তা ঘাটে এলাকাবাসি দলবদ্ধ হয়ে হাতে লাঠিসোঠা,বাঁশি, টর্চলাইট নিয়ে বিভিন্ন স্থানে সন্ধ্যা থেকে ভোর রাত পর্যন্ত দিচ্ছে।

পাহারারত অবস্থায় কয়েকজন জানায়, আমরা গত এক মাস ধরে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছি। উপজেলার বেশ কয়েকটি স্থানে চুরি ডাকাতির ঘটনার পর পুলিশ আমাদের গ্রামে পাহারা দিতে বলেছেন। প্রতিদিন আমরা লাঠি, বাঁশি ও টর্চলাইট নিয়ে সারারাত পাহারা দেই। এতে পুলিশও আমাদের সহযোগিতা করছে। পার-ভাঙ্গুড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হেদায়তুল্লাহ বলেন চরমপন্থীদের আতœসমর্পণের পর থেকে এলাকায় চুরি ডাকাতি ছিনতাইসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাসুদ রানা বলেন, চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় পুলিশি টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। এচক্রকে ধরতে আইন শৃক্সখলা বাহিনী তৎপর রয়েছে।