লালমনিরহাট প্রতিনিধি। লালমনিরহাটে এনজিওর ঋনের টাকার চাপে কৃষক খোরশেদ আলম (৪৫) আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুর ইউনিয়নের চওড়াটারী গ্রামে। সে ওই গ্রামের আকরাম আলীর ছেলে। স্থানীয় ও আদিতমারী থানা পুলিশ জানায়, সোমবার তার নিজবাড়ী থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার সকালে ময়না তদন্তর জন্য লাশ লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, খোরশেদ আলম দুর্গাপুর স্থানীয় সংস্থা আরডিআরএস থেকে এক লাখ টাকা ঋণ নেয়। প্রতিমাসে দশ হাজার টাকা দিয়ে আসছে। সে তিন মাসের কিস্তি দেয়ার পর শারীরিক অসুস্থ হয়ে পড়ে। ফলে কিস্তি দিতে তার সমস্য হয়। এছাড়া অসুস্থ হওয়ায় কৃষি ক্ষেতের পণ্য পরে আছে মাঠে। এদিকে ওই আরডিআরএস সংস্থার ব্যবস্থাপক হামিদুল হক কিস্তির জন্য চাপ প্রয়োগ করে কৃষক খোরশেদ আলমকে। আরডিআরএসের ব্যবস্থাপকের এমন চাপ সহ্য করতে না পেরে শেষ মহুর্তে এই আতœহত্যার পথ বেছে নেয় কৃষক খোরশেদ আলম। অপরদিকে জেলার বিভিন্ন এনজিও গুলো থেকে গরীব অসহায় কৃষকরা ্ঋণ নিয়ে এমন চাপের মুখে পরেছে অহরহ। সময় মত কিস্তি দিতে না পারলে হাড়ি-পাতিল,আসবাবপত্র ইত্যাদি নিয়ে আসে বিভিন্ন এনজিওর কর্মী। ফলে অসহায় গরীব পরিবাররা মারাত্বক বিপাকে পরে যায়। এছাড়া এনজিও গুলোতে সঞ্চয়ের টাকার লভ্যাংশ নিয়মিত পায়না ঋণ গৃহীতারা এমন অভিযোগ উঠেছে বেসরকারী এনজিও গুলোর বিরুদ্ধে। আতœহত্যা কৃষক খোরশেদ আলম স্থানীয় আরডিআরএস এর নিকট এক লাখ টাকা নেয়ার ব্যাপারে ব্যবস্থাপক হামিদুল হক স্বীকার করে বলেন, সে তিনটি কিস্তি পরিশোধ করেছে মাত্র। তার আরো কিস্তি বাকী রয়েছে। এগুলো তার পরিবারের লোজনকে দিতে হবে। কারন হিসেবে তিনি বলেন, এটা এনজিওর নিয়ম। আদিতমারী থানার ওসি হরেশ্বর রায় জানান, স্থানীয় বেসরকারী দুর্গাপুর আরডিআরএস’র নিকট ঋণ নিয়ে দিতে না পেরে ওই কৃষক আতœহত্যার পথ বেছে নেয়। তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হযেছে জানান।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author