আটঘরিয়ায় মুকুলে ছেয়ে গেছে আমগাছ

পাবনা প্রতিনিধি:: আবহাওযা অনুকুলে থাকায় আটঘরিয়া উপজেলার আমগাছ গুলো এরই মধ্যে মুকুলে ছেয়ে গেছে। বাড়ীর গৃহকর্তরা ও আম চাষিরা পোকামাকড় থেকে এসব গাছ বাঁচাতে মরিয়া হয়ে বালাইনাশক ব্যবহার করছেন। চাষিরা এবার আমের বাম্পার ফলন পাওয়ায় আশা করছেন।সরজমিনে আটঘরিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে দেখা যায়, দেবোত্তর,বরুলিয়া, রাধাকান্তপুর, বেরুয়ান, খিদিরপুর, পারখিদিরপুর, মাজপাড়া, আটঘরিয়া, কয়রাবাড়ী,একদন্ত, চাঁদভা, মতিঝিল, গোরুড়ী, শিবপুর লক্ষীপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে আমগাছ গুলোতে এত পরিমান মুকুল এসেছে যে পাতাই দেখা যায় না। চাঁদভা ইউনিয়নের বাচামারা গ্রামের আলাউদ্দিন বলেন, মুকুল গুলো যাতে ঝড়ে না পরে সে জন্য তারা গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। বালাইনাশক ব্যবহার করছেন। মুকুলের মতো যদি আমগুলোও টিকে যায়,তাহলে এবার আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন তিনি। দেবোত্তর ইউনিয়নের শ্রীকান্তপুর গ্রামের ফজলু আলম জানান, গতবার তার মাঝারি আকারের কয়েকটি আম গাছে কম মুকুল আশায় আম পেয়েছিলেন কম। এবার ঐ সমস্ত গাছে মুকুল এসে ঢেকে গেছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে এই গাছ থেকে এবার অন্তত অনেক আম পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তিনি। শীকান্তপুর গ্রামের ইদ্রিস আলী খান তারা,সিদ্দিকুর রহমান,আব্দুল মান্নান, মাকসুদুর রহমান বলেন, তাদের বেশ কিছু গুলো আম গাছ রয়েছে। গতবারে আমগাছ গুলোতে তেমন মুকুল আসেনি। আমও হয়েছিল কম। এবার যে ভাবে আমের মুকুল এসেছে তাতে প্রচুর পরিমানে আমের ফলন পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তারা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবং পোকামাকড়ের তেমন আক্রমন না হওয়ায় এখন পর্যন্ত মুকুলের ক্ষতি হয়নি। তবে মুকুলের ফল ফোটার আগে ইমিডোক্লোপরিড অথবা সাইপারমেথ্রিন-জাতীয় কীটনাশক এবং ম্যানকোজের জাতীয়-ছত্রাকনাশক অনুমোদিত মাত্রায় স্প্রে করার পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া আম গাছের গোড়ায় সেচ দিতে হবে। সেই সঙ্গে অতিরিক্ত রোদের সময় কীটনাশক স্প্রে করতে নিষেধ করেন তিনি।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author